ছবির উৎস, YouTube
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়া ও চীন সমান অংশীদার হতে
চায়, কিন্তু বাস্তবে বর্তমানে তারা মোটেও সমান অবস্থানে নেই।
এর একটি প্রধান কারণ হলো দুই দেশের অর্থনীতির আকারের বিশাল পার্থক্য। চীনের
অর্থনীতি রাশিয়ার তুলনায় প্রায় আট গুণ বড়।
আরেকটি বড় পার্থক্য হলো, চীনের অর্থনীতি
প্রযুক্তিগতভাবে অনেক বেশি উন্নত।
তাই অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, কিছু রুশ নাগরিক মনে করেন বেইজিং তাদের জন্য মস্কোর চেয়ে
বেশি কিছু করতে পারে।
প্রেসিডেন্ট পুতিন চীন সফরে যাওয়ার কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও প্রকাশ পায়, যেখানে
সাইবেরিয়ার শহর ইরকুতস্কের বাসিন্দারা চীনের কাছে তাদের জন্য একটি নতুন স্কুল
নির্মাণের অনুরোধ জানান।
ওই ভিডিও বার্তায় বলা হয়, তারা গত পাঁচ বছর ধরে মস্কোর কাছে এই দাবি জানিয়ে আসছেন, কিন্তু
কোনো ফল পাননি।
ভিডিওতে বাসিন্দাদের একজন প্রতিনিধি ভ্লাদিমির পুতিনকে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনি
কীভাবে জন্মহার বাড়াবেন, সেটা আমাদের কাছে এক বড় রহস্য।” তিনি রাশিয়ায় জনসংখ্যা
হ্রাস ঠেকানোর বিষয়ে পুতিনের দীর্ঘদিনের লক্ষ্যকে ইঙ্গিত করছিলেন।
রাশিয়ার দূরপ্রাচ্য অঞ্চলে পুতিনের প্রতিনিধি ইউরি ত্রুতনেভও চীনের হারবিন
শহরে চলমান এক প্রদর্শনীতে চীন ও রাশিয়ার পণ্যের পার্থক্য চোখ এড়াতে পারেননি।
তিনি রাষ্ট্রীয় রুশ সংবাদ সংস্থা তাস-কে বলেছেন, “আমাদের
কাছে শুধু মধু আর কাঁকড়া আছে, আর আমাদের (চীনা) বন্ধুদের কাছে আছে ড্রোন আর রোবট। সত্যি
বলতে, এতে
আমি কিছুটা হতাশ।”
