ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক

ছবির উৎস, BTV

ছবির ক্যাপশান, ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক

“বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ১৮ বছরে একের পর এক পদ বঞ্চনা, অপমান, বৈষম্য আর মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। কিন্তু শত প্রতিকূলতার মধ্যেও আমি জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হইনি,” পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) রেজাউল করিম মল্লিকের এমন বক্তব্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মহলে নানান আলোচনা-সমালোচনা হতে দেখা যাচ্ছে।

চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় সরকারি একজন কর্মকর্তা নিজের রাজনৈতিক আদর্শ তুলে ধরে এ ধরনের বক্তব্য দিতে পারেন কি-না, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। একইসঙ্গে, পুলিশ বাহিনী আবারও দলীয়করণের দিকে ঝুঁকছে কি-না, সেই প্রশ্নও সামনে আসছে।

“এ ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য আমরা দিতে দেখতাম ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে। গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন ঘটার পর ওই সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আসবে বলে আমরা আশা করেছিলাম। কিন্তু নতুন রাজনৈতিক সরকারের সময় আবারও একই ঘটনা ঘটার বিষয়টা অত্যন্ত হতাশাজনক ও দুঃখজনক ব্যাপার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন।

সাবেক সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকাশ্যে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার মাধ্যমে ডিআইজি মি. মল্লিক সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

“এটা বাহিনীর অন্য সদস্যদের এক ধরনের রঙ মেসেজ বা ভুল বার্তা দিচ্ছে। এটা পুলিশকে নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার যে প্রচেষ্টার কথা সরকার বলছে, সেই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *