নয়া দিল্লি: করোনার (corona) সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ বাড়ি-বাড়ি পৌঁছে দিতে ই-ফার্মাসি (E-Pharmacies) ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। তবে, করোনা চলে গিয়েছে কিন্তু সেই ব্যবস্থা আজও চলছে। এখন অনলাইনে জামা-কাপড়-খাবারের পাশাপাশি চলে আসে ওষুধ। ফলত, অনেকাংশেই সুবিধা হয় সাধারণের। কিন্তু এর জেরে কমছে ইচ্ছামতো ওষুধের দাম। আর সেই অভিযোগ তুলে এবার প্রতিবাদে সামিল ওষুধের দোকানদারদের সর্ববৃহৎ সংগঠন অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অব কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস (এআইওসিডি)। ডাক দেওয়া হয়েছে ধর্মঘটের (Strike)।
জানা যাচ্ছে, আগামী ২০ মে অর্থাৎ বুধবার এই দেশজুড়ে ওষুধের দোকান ধর্মঘটের ডাক দেয়েছে তারা। এর জেরে একদিনের বন্ধ থাকতে চলেছে সব ওষুধের দোকান। এর জেরে গ্রাহকদের যে ভোগান্তি হতে চলছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মূলত, এই সংগঠনের তিনটি দাবি। কী কী সেই দাবি?
প্রথমত, দেশের স্বার্থে ই ফার্মেসি বন্ধ করতে হবে। অনলাইন ফার্মেসি চালু থাকায় দেশের ওষুধ সুরক্ষা বিধি বিঘ্নিত হচ্ছে। ভুয়ো প্রেসক্রিপশন বাজারে ঘুরছে।
দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানিগুলি নিজেদের ইচ্ছেমতো ওষুধের দামও কমাচ্ছে। তাতে ওষুধের মান কমে যাচ্ছে বলে দাবি সংগঠনের।
তৃতীয়ত, ২০২০ সালের ২৬ মার্চ করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দোকানদাররা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ওষুধ পাঠাতে পারবেন। সেই বিশেষ পরিস্থিতিতে জারি হওয়া নির্দেশনামাকে ঢাল করে ই-ফার্মেসী ব্যবস্থা চরমে উঠেছে।
এগুলি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার দাবিতেই এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। এই সংগঠনের দাবি, বারবার তারা এই সমস্যাগুলি নিয়ে ওষুধ কোম্পানিগুলির সঙ্গে কথা বলেছে। কিন্তু সমস্যার কোনও সুরাহা হয়নি। অনলাইনে ওষুধ পরিষেবা দেওয়ার দাপটও কমাতে পারেনি। সেই কারণে শেষমেশ এই বনধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
