বিজেপি নেত্রীর বাড়ি ভাঙচুরImage Credit: Tv9 Bangla
দেবব্রত মণ্ডলের রিপোর্ট
ক্যানিং: দ্বিতীয় দফার ভোট মিটেছে। তবে, তারপরও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অশান্তির আগুন থামার নাম নেই। ভোট গণনার ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার ইটখোলা অঞ্চলের মধুখালী এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনায় এক মহিলাসহ দুই বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন। যদিও, ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাত্রিবেলা ইটখোলা অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি ইন্দ্রজিৎ সর্দার ও তাঁর অনুগামীরা মধুখালী এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। অভিযোগ,দুষ্কৃতীরা লাঠি-রড এবং বন্দুকের বাঁট দিয়ে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করেন। ভাঙচুর চালানো হয় আসবাবপত্রেও। ঘটনায় গুরুতর আহত হন দীপিকা নস্কর ও কবির কৃষ্ণ হালদার নামে দুই বিজেপি কর্মী।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়ো। যার সত্যতা যাচাই করেনি টিভি ৯ বাংলা। ওই ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, এলাকায় ব্যাপক গোলমাল হচ্ছে। পাশাপাশি গুলির স্পষ্ট শব্দ শোনা যাচ্ছে। যা ঘিরে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু কবির কৃষ্ণ হালদারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
আক্রান্ত বিজেপি কর্মী দীপিকা নস্কর ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন,”রাতে আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ দেখি ওরা এসে আমার মুরগির ঘর থেকে মুরগি টেনে বের করে নিয়ে যাচ্ছে। আমি বাধা দিয়ে বলি, তুমি একজন নেতা হয়ে মানুষের ঘরের মুরগি চুরি করছ? এরপরেই ওঁরা আমাকে হুমকি দিয়ে বলে ৪ তারিখের পর তোকেও টেনে নিয়ে যাব। তুই ঘর ছেড়ে দিবি?” দীপিকা আরও অভিযোগ করেন, তিনি বাড়ি ছাড়তে অস্বীকার করলে তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে দুষ্কৃতীরা। তাঁর কথায়, “আমি বলি—জায়গাটা কি তোমার যে ঘর ছেড়ে দেব? অমনি দুইজন মিলে আমাকে বিছানায় শুইয়ে ফেলে মারধর শুরু করে। এলাকায় অন্তত ৬ রাউন্ড গুলি চলেছে।”
