Lifestyle Tips: গরমে পাখার হাওয়ায় ঘুমটা আরামদায়ক হলেও, একদম পাখার নীচে সোজা শুয়ে ঘুমানো আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সরাসরি ঠান্ডা হাওয়া শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমিয়ে দেয়, যার ফলে সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে মাসল পেইন, এমনকি শ্বাসকষ্টও হতে পারে। রইল কেন আর কীভাবে সাবধানে থাকবেন।

Lifestyle Tips: গরমে রাতে এসি ছাড়া ঘুম মানেই পাখা। আর পাখার হাওয়া সরাসরি গায়ে লাগলে ঘুমটাও দ্রুত চলে আসে। কিন্তু আপনি যদি বিছানাটা ঠিক পাখার নীচে পেতে ঘুমোন, তাহলে সেটা ধীরে ধীরে আপনার শরীরের ক্ষতি করতে পারে।

কী সমস্যা হতে পারে: ১. সর্দি-কাশি আর গলা ব্যথা: পাখার ঠান্ডা হাওয়া সরাসরি নাকে-মুখে লাগলে নাকের মিউকাস মেমব্রেন শুকিয়ে যায়। এতে ভাইরাস সহজে আক্রমণ করতে পারে। ফলে সকালে উঠে গলা ব্যথা, সর্দি বা মাথা ভার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

২. মাসল স্টিফনেস আর ব্যথা: একই জায়গায় টানা ঠান্ডা হাওয়া লাগলে শরীরের পেশি সংকুচিত হয়ে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘাড়, কাঁধ বা পিঠে ব্যথা, টান ধরা এগুলোর প্রধান কারণ এটাই।

৩. ত্বক আর চোখ শুকিয়ে যাওয়া: পাখার হাওয়া শুধু ঘাম শুকোয় না, ত্বক আর চোখের আর্দ্রতাও টেনে নেয়। তাই রাতে পাখার নীচে ঘুমালে সকালে ত্বক টানটান আর চোখে জ্বালা লাগতে পারে।

৪. শ্বাসকষ্টের সমস্যা: যাদের অ্যাজমা বা অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তাদের জন্য সরাসরি পাখার হাওয়া আরও ক্ষতিকর। পাখার ধুলো আর ঠান্ডা হাওয়া মিলে শ্বাসনালীতে প্রদাহ তৈরি করতে পারে।

তাহলে কী করবেন: পাখাটা একদম মাথার উপরে বা সরাসরি গায়ে না রেখে পাশে বা একটু দূরে রাখুন। এতে ঘরে হাওয়া সার্কুলেট হবে কিন্তু শরীরে সরাসরি ঠান্ডা হাওয়া লাগবে না। আর যদি পাখার নীচেই ঘুমাতে হয়, তাহলে পাতলা চাদর দিয়ে শরীর ঢেকে নিন। বিশেষ করে বুক আর পেট যেন ঢাকা থাকে।

বেস্ট টিপস: পাখার গতি মিডিয়াম বা লো-তে রাখুন। হাই স্পিডে পাখা চালালে হাওয়া বেশি ঠান্ডা হয় আর ধুলোও বেশি ছড়ায়। আর সপ্তাহে একবার পাখার ব্লেড মুছে নিন, যাতে ধুলো জমে অ্যালার্জি না হয়। গরমে আরাম দরকার, কিন্তু সেটা যেন স্বাস্থ্যের বিনিময়ে না হয়। 

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *