তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কটুক্তি করছিলেন বিজেপি কর্মী ও তাঁর সঙ্গীরা! সেই ঘটনার প্রতিবাদ করেন এক সিভিক পুলিশ। কেন প্রতিবাদ করা হয়েছে? সেই অভিযোগে বেধড়ক মারধর করা হল তাঁকে! আক্রান্ত সিভিক পুলিশের হাত ভেঙেছে। শরীরের একাধিক জায়গায় চোট-আঘাত। ঘটনাটি ঘটেছে, উত্তর কলকাতার বরানগর এলাকায়। দ্বিতীয় দফায় আগামী ২৯ তারিখ এই এলাকায় ভোট। তার আগে এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

এই বিষয়ে আরও খবর

ঘটনাটি ঘটেছে, গতকাল, রবিবার রাতে। বরানগর পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বনোরিনি আবাসনের সামনে ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। আক্রান্ত গোবিন্দ হাড়ির অভিযোগ, ডিউটি সেরে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। বাজার মোড় এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা বিজেপি কর্মী সানি দে ও তাঁর সঙ্গীরা তৃণমূল নেত্রীকে উদ্দেশ্য করে কটুক্তি করছিলেন! সেই ঘটনার প্রতিবাদ করতেই হামলা চলে! গোবিন্দ হাড়ির দাবি, “গালাগালির প্রতিবাদ করতেই সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে মারধর করে। বাঁশ দিয়ে মাথায় মারার চেষ্টা হয়, হাত দিয়ে আটকাতে গিয়ে হাত ভেঙে যায়।” নির্বাচনের আগে এলাকায় এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে বলেও তাঁর অভিযোগ। 

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব তৃণমূল নেতৃত্ব। দক্ষিণ বরানগর তৃণমূল শহর কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বজিৎ বর্ধনের বক্তব্য, “নির্বাচনের আগে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এখনই যদি এই অবস্থা হয়, ক্ষমতায় এলে কী হবে, তা মানুষ বুঝতে পারছে।” প্রতিবাদে এলাকায় মিছিলের ডাকও দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। অভিযুক্ত সানি দে-র দাবি, তিনিই হামলার শিকার। তাঁর কথায়, “আমাদের ওপরই আক্রমণ হয়েছে। আমি থানায় ছ’জনের নামে অভিযোগ করেছি।” বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ বলেন, “সিভিক পুলিশ মদ্যপ অবস্থায় পড়ে গিয়ে হাত ভেঙেছে।” বরানগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *