কে বুমরাহ, কে হ্যাজেলউড, কে ভুবনেশ্বর কুমার। বৈভব সূর্যবংশী বিপক্ষের বোলার দেখে না! তার দর্শন খুব সহজ। বল দেখো, মারো। সামনে কে আছে, কী বল করবে, অতো ভেবে লাভ নেই। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ১৫ বলে হাফসেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৮ বলে ৭৬ রান। যার সুবাদে নয়া নজিরও গড়ে ফেলল ১৫ বছরের বিস্ময় প্রতিভা।
এই বিষয়ে আরও খবর
আরসিবি’র ২০২ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে বৈভব। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে বুমরাহর প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়েছিল। এদিন ভুবনেশ্বর কুমার ও জশ হ্যাজেলউড, দু’জনের প্রথম বলেই চার মারল। হ্যাজেলউডের এক ওভারে বৈভব তুলল ১৯ রান। হাফসেঞ্চুরি এল মাত্র ১৫ বলে। সে বল আপনি যেখানেই করুন, স্লোয়ার-ইয়র্কার-লাইন, সব বলই মাঠের বাইরে। থামল ৭৬ রানে। ইনিংসে ছিল ৭টি ছয়, ৮টি চার। স্ট্রাইক রেট ৩০০। বৈভব সূর্যবংশীর কাছে ম্লান বিরাট কোহলি! লাইনটা লিখলেও অস্বস্তি থেকে যাওয়া খুব স্বাভাবিক।
বৈভবের ১৫ বলে হাফসেঞ্চুরি ভারতীয়দের মধ্যে তৃতীয় স্থানে। সে আইপিএলের ইতিহাসে যৌথভাবে তৃতীয় দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি করা ভারতীয় ব্যাটার। ১৫ বলে হাফসেঞ্চুরি আর কার আছে জানেন? বৈভবেরই। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে এরবারই করেছে সে। এছাড়া ইউসুফ পাঠানও ১৫ বলে এই রান করেছিলেন। এই তালিকায় সবার উপরে যশস্বী জয়সওয়াল। ১৩ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।
জস বাটলার: ৩ বার
বৈভব সূর্যবংশী: ৩ বার
যশস্বী জয়সওয়াল: ২ বার
মাইকেল লাম্ব: ১ বার
বেন স্টোকস: ১ বার
নীতীশ রানা: ১ বার
বৈভবের নজির এখানেই শেষ হচ্ছে না। পাওয়ার প্লেতে তিনবার ৫০-র বেশি রান করল সে। জস বাটলারের সঙ্গে একই সঙ্গে রয়েছে ১৫ বছরের ক্রিকেটার। এছাড়া আইপিএলে ২০ বলের কমে সবচেয়ে বেশি হাফসেঞ্চুরি করার তালিকাতেও তার নাম আছে। বৈভব এই নজির গড়ল তিনবার। তবে নিকোলাস পুরান ৪ বার ২০ বলের কমে হাফসেঞ্চুরি করেছেন।
৪ বার – নিকোলাস পুরান
৪ বার – অভিষেক শর্মা
৩ বার – জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক
৩ বার – ট্র্যাভিস হেড
৩ বার – বৈভব সূর্যবংশী*
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
