অজন্তা চৌধুরী

বাচিকশিল্পী, অভিনেতা শৌভিক ভট্টাচার্যর ভাবনা ও পরিকল্পনায় ৪ এপ্রিল, সন্ধেয় মহাজাতি সদনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘বর্ষশেষের গান ও কবিতা’ শীর্ষক এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলা বছর শেষ হতে চলেছে এবং আসতে চলেছে নতুন একটা বাংলা বছর। সে কারণেই অনুষ্ঠানের এই নামকরণ। অনুষ্ঠানটির যৌথ নিবেদনে ছিল বেঙ্গল ওয়েব সলিউশন ও কৃষ্ণনগর লায়ন্স ক্লাব।

দুই পর্বে বিভক্ত ছিল এই অনুষ্ঠান। প্রথম পর্বে কথায়-কবিতায়-গানে-আড্ডায় অংশগ্রহণ করেন চন্দ্রবিন্দুর অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, উপল সেনগুপ্ত, ক্যাকটাসের সিধু এবং বাচিকশিল্পী শৌভিক ভট্টাচার্য। গান কবিতার পাশাপাশি আড্ডায় উঠে আসে প্রেম থেকে বসন্তের অনুষঙ্গ। দ্বিতীয় পর্বেও কবিতার পাশাপাশি পরিবেশিত হয় চন্দ্রবিন্দু ও ক্যাকটাসের জনপ্রিয় গানগুলি। ‘ভেসে যায় আদরের নৌকো’, ‘মন হাওয়ায় পেয়েছি তোর মন’, ‘আমাকে রোগা বলো না’, ‘সেই তুমি’ – অনিন্দ্য, উপল, সিধুর কন্ঠে পরিবেশিত এই জনপ্রিয় গানগুলি ফিরিয়ে আনে নস্টালজিয়া।

শৌভিকের নির্বাচনে ছিল রবীন্দ্রনাথ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, মল্লিকা সেনগুপ্ত থেকে আধুনিক কবিদের কবিতা। এদিন একক সঙ্গীত পরিবেশনে ছিলেন স্বাক্ষর বসু। তার নিবেদনে ছিল ‘সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা’, ‘কে তুমি নন্দিনী’র মতো কালজয়ী গানগুলি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক ঈশান চক্রবর্তী এবং কৃষ্ণনগর লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি তন্ময় কুমার সাহা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন মৌনিতা চট্টোপাধ্যায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *