একটি ভেঙে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা

ছবির উৎস, AFP via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, গত দুই দিনে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় তিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানির খবর এসেছে

রাতভর ইসরায়েল ও হেজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ হয়েছে। ইসরায়েল লেবাননে বিমান হামলা চালিয়েছে, আর সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহ রকেট নিক্ষেপ করেছে যার ফলে তেল আভিভসহ বিভিন্ন স্থানে সতর্কতা জারি করা হয়।

ইরান-যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবানন পড়বে কি না—এই বিতর্কিত বিষয়টি পাকিস্তানে নির্ধারিত শান্তি আলোচনার আগে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করছে।

ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা রাতভর লেবাননে হেজবুল্লাহর রকেট নিক্ষেপের স্থানগুলোতে হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, ইরান-সমর্থিত হেজবুল্লাহ গোষ্ঠী বলেছে, তারা ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় রকেট ছুড়েছে।

এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে এমন এক সময়, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হচ্ছিল—লেবাননে ইসরায়েল তাদের কার্যক্রম আরও “সংযত” রাখবে। অনেকের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আরও সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, বুধবার ইসরায়েলের হামলায় দেশটিতে ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পাঠ করা এক বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে নিজের দেশ ও তার মিত্রদের পক্ষে প্রতিশোধ নেওয়ার অধিকার তিনি সংরক্ষণ করে রাখছেন।

এতে লেবাননের হেজবুল্লাহর কথাও ইঙ্গিত করা হয়েছে—যে গোষ্ঠীকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির আওতায় পড়ে না বলে দাবি করে আসছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *