এই জন্ম তারিখের মানুষরা মন খারাপের সঙ্গী, জেনে নিন কারা 

চারপাশে স্বার্থপর মানুষের ভিড়, কাজের চাপ আর সম্পর্কের টানাপোড়েনে আমরা যখন জর্জরিত, তখন হঠাৎ এমন কারোর দেখা মেলে যার সঙ্গে দু-দণ্ড কথা বললেই মনটা হালকা হয়ে যায়। মনে হয়, মানুষটা যেন ম্যাজিক জানেন! আপনার পরিচিত মহলে কি এমন কেউ আছেন? বা আপনি নিজেই কি সেই ব্যক্তি যার উপস্থিতিতে অন্যরা শান্তি খুঁজে পায়? সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমেরোলজি বলছে, এটা কোনও ম্যাজিক নয়; বরং আপনার জন্মতারিখের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এই বিশেষ আধ্যাত্মিক গুণ বা নিরাময় ক্ষমতা।

সাধারণত একেকটি জন্মসংখ্যা একেকটি গ্রহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আর সেই গ্রহের প্রভাবই আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, কোন ১৭টি জন্মতারিখের মানুষেরা আসলে ‘দেবদূত’-এর মতো কাজ করেন।

যাঁদের জন্ম যে কোনও মাসের ২, ১১, ২০ বা ২৯ তারিখে, তাঁদের নিয়ন্ত্রক হল চন্দ্র। এই জাতক-জাতিকারা অসম্ভব স্পর্শকাতর এবং আবেগপ্রবণ হন। এঁদের সবচেয়ে বড় গুণ হল এঁরা অন্যের দুঃখ নিজের মনে করে অনুভব করতে পারেন। মানুষ যখন খুব ভেঙে পড়ে, তখন এঁরাই হয়ে ওঠেন সেরা শ্রোতা। শান্ত স্বভাবের এই মানুষগুলোর কাছে গেলে বা এদের ওপর ভরসা করলে যেন মানসিক অস্থিরতা নিমেষেই উবে যায়।

মাসের ৩, ১২, ২১ বা ৩০ তারিখে জন্মালে আপনার ওপর থাকে দেবগুরু বৃহস্পতির বিশেষ আশীর্বাদ। এরা আসলে পথপ্রদর্শক। কেউ বিপদে পড়লে এঁরা তাঁকে অনুপ্রাণিত করেন এবং আধ্যাত্মিকতার পথে এগিয়ে দেন। মজার বিষয় হল, প্রচণ্ড জ্ঞানী হওয়া সত্ত্বেও এঁরা অসম্ভব নম্র হন। নিজের সমস্যাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে অন্যদের মুখে হাসি ফোটাতে এঁদের জুড়ি নেই।

যাঁদের জন্ম ৫, ১৪ বা ২৩ তারিখে, তাঁদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রিত হয় বুধের দ্বারা। এঁদের বলা হয় ‘কমিউনিকেশন মাস্টার’। খুব হতাশ বা ডিপ্রেশনে থাকা মানুষকেও নিজেদের মিষ্টি কথায় চাঙ্গা করে তুলতে পারেন এঁরা। এঁদের আশেপাশে একটা পজিটিভ এনার্জি বা শুভ শক্তি কাজ করে, যা পরিবেশকে খুশিতে ভরিয়ে তোলে।

৬, ১৫ ও ২৪ তারিখে যাঁদের জন্ম, তাঁদের ভাগ্যবিধাতা শুক্র। এরা যেমন বুদ্ধিমান, তেমনই দয়ালু। এদের ধৈর্য অপরিসীম। সমস্যা সমাধানের পথ দেখাতে না পারলেও, এঁরা যেভাবে সহানুভূতি নিয়ে পাশে দাঁড়ান, তাতে সামনের মানুষটি মানসিক শক্তি ফিরে পায়। এঁদের সান্নিধ্যে এক অদ্ভুত নিরাপদ অনুভূতি পাওয়া যায়।

মাসের ৭, ১৬ বা ২৫ তারিখের জাতক-জাতিকারা কেতুর প্রভাবে আধ্যাত্মিক গুণের অধিকারী হন। মানুষের মনের জটিলতা বা মানসিক চাপ কমাতে এঁদের জুরি মেলা ভার। সৎ পরামর্শদাতা হিসেবে এঁদের খ্যাতি থাকে তুঙ্গে। সংখ্যাতত্ত্ব বলছে, এই মানুষগুলোর সাহচর্য আপনার জীবনের অন্ধকার কাটিয়ে আলোর পথ দেখাতে সাহায্য করতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *