আগেই বাদ পড়েছিল ৪৭ হাজার ভোটারের নাম। সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ৫০ হাজারে। অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে নতুন করে আরও ৩ হাজার ভোটারের নামে লাল কালি পড়ল।

এই বিষয়ে আরও খবর

বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রের ১৪ হাজার ১৫৪ জন ভোটারের নাম। এই নামগুলির তথ্য যাচাই করে নিষ্পত্তি করেন কলকাতা হাই কোর্ট নিযুক্ত বিচারপতিরা। সেখান থেকেই আরও ৩৫০০ নাম বাদ গেল। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বিচারকেরা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি করেই এই নামগুলি বাদ দিয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের তরফে এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই তালিকায় বিচারাধীন ছিল ৬০ লক্ষাধিক ভোটারের নাম । ধাপে ধাপে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। বিবেচনাধীন তালিকা থেকে গোটা রাজ্যে মোট ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩ জনের নাম বাদ পড়েছে। সবচেয়ে বেশি নাম কাটা পড়েছে মুর্শিদাবাদ থেকে। বিবেচনাধীন তালিকার হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর দেখা যাচ্ছে, রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় সব মিলিয়ে প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। যার মধ্যে ভবানীপুরের ৫০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই কেন্দ্রে প্রার্থী খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকায় গোটা রাজ্যের মানুষের নাম বাদ নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন তিনি। দৌড়েছেন সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্তও। প্রয়োজনে আবারও সুপ্রিম কোর্টে যাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, ভবানীপুরে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ইস্যুতে সংখ্যালঘু তত্ত্ব তুলে ধরে ফায়দা লুঠতে চাইছেন ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বুধবার ভবানীপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাট থেকে আলিপুর সার্ভে বিল্ডিং পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে পায়ে পায়ে হেঁটেছে গোটা ভবানীপুর। তৃণমূল নেত্রীর মনোনয়নে ঘিরে দিনভর ছিল উচ্ছ্বাস-উন্মাদনা।  এদিন ভবানীপুরে যে জনবিন্যাস চোখে পড়েছে, তাতে ভবানীপুরের ভোটের হাওয়া যে বিজেপি পালে নেই, তা স্পষ্ট। ব্যলটের ফল দেখা যাবে ৪ মে, তার আগে ভবানীপুর বুঝিয়ে দিচ্ছে, তারা ‘ঘরের মেয়ে’কেই চায়।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *