প্রথম দফার নির্বাচনে বাকি দিন পনেরো। তুঙ্গে প্রস্তুতি। তার মাঝে এবার রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিতে কড়া নিরাপত্তা ও নজরদারির নির্দেশ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। মুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটপর্ব নিশ্চিত করতে একগুচ্ছ কঠোর পদক্ষেপের কথা জানানো হয়েছে। সংশোধনাগারে নিয়মিত ‘সারপ্রাইজ চেক’-এর নির্দেশ, পাশাপাশি রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ কমিশনের।

এই বিষয়ে আরও খবর

কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সমস্ত সংশোধনাগারে ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল বা সুপারিন্টেনডেন্ট পদমর্যাদার আধিকারিকদের নেতৃত্বে ‘সারপ্রাইজ চেক’ করতে হবে। ভোটপর্ব চলাকালীন কোনও বন্দিকে প্যারোল, ফার্লো বা অস্থায়ী মুক্তি দেওয়া যাবে না। তবে অত্যন্ত মানবিক কারণে ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে বন্দিদের ছাড়া যেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে জেলা নির্বাচন আধিকারিকের লিখিত অনুমতি নিতে হবে।

সংশোধনাগারগুলিতে মোবাইল ও সিগন্যাল জ্যামারগুলির কার্যকারিতা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। প্রতিদিন জ্যামার পরীক্ষা করতে হবে। কোনও ত্রুটি ধরা পড়লে তা অবিলম্বে মেরামত করতে হবে। জেলের ভিতরে মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা যায় তা নিশ্চিত করতে বলেছে কমিশন। মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, নগদ টাকা, মাদক বা অন্য কোনও নিষিদ্ধ সামগ্রী উদ্ধারে জোরদার তল্লাশির চালানোর কথা বলা হয়েছে।

পাশাপাশি ভোটের প্রচারপর্বে, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে ও ভোটের দিন বিশেষ নজরদারি চালানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেল কর্তৃপক্ষকে যৌথভাবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের উপর বিশেষ নজরদারি। জেলে দেখা করতে আসা তাদের পরিবারের সদস্যদের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ। সন্দেহজনক কোনও তথ্য বা কার্যকলাপ বুঝতে পারলেই দ্রুত জেলা নির্বাচন আধিকারিককে জানানোর কথাও বলা হয়েছে।

একগুচ্ছ নির্দেশিকার পাশাপাশি, নির্দেশগুলি কতটা পালন করা হচ্ছে, তার রিপোর্টও পাঠাতে হবে। সপ্তাহে দু’বার অগ্রগতি রিপোর্ট দেওয়ার পাশাপাশি, প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোটের পর বিশেষ রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছে কমিশন।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *