
কলকাতা: নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরই প্রশাসনিক রদবদল শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে বদল নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও দেন। কমিশন অবশ্য তাতে পুলিশ প্রশাসনের বদলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেনি। এবার রাজ্যের দেড়শোর বেশি থানার ওসি বদল করল তারা। সেই থানাগুলির মধ্যে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম রয়েছে।
এবারের নির্বাচনে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র হল ভবানীপুর। এখান থেকে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু নন্দীগ্রামেও প্রার্থী হয়েছেন। এই দুই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। এবার এই দুই বিধানসভার থানার ওসি বদল করল কমিশন।
ভবানীপুর থানার ওসি করা হয়েছে সৌমিত্র বসুকে। আগে কলকাতা পুলিশের এসটিএফে তিনি ছিলেন। নন্দীগ্রাম থানার ওসি করা হয়েছে শুভব্রত নাথকে। তিনি আগে চন্দননগর থানায় কর্মরত ছিলেন। শুধু ওসি বদল নয়। ডিস্ট্রিক্ট ইন্টেলিজেন্স ব্র্যাঞ্চের ১১ জন আধিকারিককেও বদলির নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সবমিলিয়ে রাজ্যজুড়ে ১৮৪ জন পুলিশ আধিকারিককে সরানো হয়েছে।
আবার আরজি কর কাণ্ডের সময় টালা থানার ওসি ছিলেন অভিজিৎ মণ্ডল। তাঁকে কলকাতার মানিকতলা থানার ওসি করেছিল কমিশন। কিন্তু, নোটিস জারির কিছুক্ষণ পরই কমিশন জানায়, অনিচ্ছাকৃতভাবে অভিজিৎ মণ্ডলের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তিনি বর্তমানে পর্ণশ্রী থানায় এখন যে দায়িত্বে রয়েছেন, সেই দায়িত্বই পালন করবেন।
অন্যদিকে, নন্দীগ্রামের দুটি ব্লক-সহ রাজ্যের ৮৩টি ব্লকের বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে বদলির নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
Source link
