‘ছোট অভিযানে’র ২৩ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। প্রাথমিক ধাক্কা সামলানোর পর ইরানের প্রত্যাঘাতে বিস্মিত খোদ আমেরিকাও। হরমুজে তালা পড়ায় জ্বালানি সংকটে ধুঁকছে বিশ্ব। বিশেষজ্ঞদের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন। আপাতত কাজ চালানোর জন্য ভারতে জ্বালানি তেল ও গ্যাস মজুত থাকলেও লাগামছাড়া যুদ্ধে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ ভারতের আকাশেও। সমালোচনায় মুখর হয়েছে বিরোধীরা। আলোচনায় মুখর হয়েছে আম জনতাও। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ভারতের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে সোমবার সংসদে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ইরান যুদ্ধের প্রভাব যাতে ভারতে গুরুতর প্রভাব না ফেলে তাঁর জন্য রবিবারই পর্যালোচনা বৈঠক সারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী, কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান প্রমুখ। যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায় দেশে জ্বালানি আমদানি স্বাভাবিক নেই। এই বিষয়ে মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন মোদি। গ্যাস, অশোধিত তেল সরবরাহে কী প্রভাব পড়েছে, বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদন কতটা ব্যাহত, যাবতীয় বিষয় খোঁজখবর করেন তিনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়েও কথা হয়। বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে আলোচ্য বিষয়বস্তু তুলে ধরার পাশাপাশি লেখেন, ‘আমরা এই সংঘাতের প্রভাব থেকে আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, সংকট জনক পরিস্থিতিতে রান্নার গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। যেমন, এখন নলবাহিত গ্যাস থাকলে সিলিন্ডার গ্যাস মিলছে না। অন্যদিকে গ্যাস বুকিং ২৫ দিনের ব্যবধানে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এলপিজি নির্ভরতা কমিয়ে পিএনজি (নলবাহিত) গ্যাস ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রবিবার কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, গৃহস্থালিতে রান্নার গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বুকিং নিয়ে উদ্যেগও কমেছে। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে কী হবে, তা এক বড়সড় প্রশ্ন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
