দাপট ছিল মোহনবাগানের, কিন্তু গোল এল না। আইএসএলে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পেল না সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। শেষ পর্যন্ত কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হল সের্জিয়ো লোবেরার দলকে।
ম্যাচের শুরুতে কয়েক মিনিট আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছিল বেঙ্গালুরু। রায়ান উইলিয়ামসের শট ভাল সেভ করেন মোহনবাগানের গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। তবে সেই চাপ কাটিয়ে দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় মোহনবাগান। মাঝমাঠে অনিরুদ্ধ থাপা ও আপুইয়ারা দাপট দেখাতে শুরু করলে বেঙ্গালুরুর রক্ষণে চাপ বাড়ে।
চলতি মরসুমে মোহনবাগানের অন্যতম ভরসা জেমি ম্যাকলারেন। তাঁর উপর বিশেষ নজর রেখেছিল বেঙ্গালুরুর রক্ষণ। ফলে খুব বেশি ফাঁকা জায়গা পাননি তিনি। তবুও কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু গোল করতে ব্যর্থ হন।
দুই প্রান্ত দিয়ে লিস্টন কোলাসো এবং মনবীর সিংহ বারবার আক্রমণে ওঠেন। তবে আক্রমণের শেষ মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্তের অভাবে গোলের সুযোগ হাতছাড়া হয়। কখনও দূর থেকে অপ্রয়োজনীয় শট, আবার কখনও গোলরক্ষকের সামনে গিয়ে পাস দেওয়ার চেষ্টা—এই ভুলগুলোই ভোগাল বাগানকে।
দ্বিতীয়ার্ধে পুরো ম্যাচের রাশ প্রায় একাই ধরে রাখে মোহনবাগান। ম্যাকলারেন, পেত্রাতোস এবং আলবের্তো রদ্রিগেজ় একাধিক সুযোগ তৈরি করেন। তবে বেঙ্গালুরুর গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিংহ সান্ধু দুর্দান্ত কয়েকটি সেভ করে দলকে বাঁচান। একটি শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।
অন্যদিকে বেঙ্গালুরুও মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণে ওঠে। রায়ান উইলিয়ামস কয়েকটি বিপজ্জনক আক্রমণ তৈরি করলেও সেগুলি গোলের রূপ নিতে পারেনি। সুনীল ছেত্রীও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।
শেষ পর্যন্ত কোনও দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ শেষ হয় গোলশূন্য ড্র-এ। এই ড্র-এর ফলে পাঁচ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে এখনও পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে মোহনবাগান। তবে অন্য ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে তাদের শীর্ষস্থান ধরে রাখা।
