ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-ফাইল ছবি।

ছবির উৎস, Photo by Antonio Masiello/Getty Images

ছবির ক্যাপশান, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান অস্থিরতা ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে- ফাইল ছবি।

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব ক্রমে আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং উপসাগরীয় দেশের শোধনাগারগুলোতে একের পর এক হামলা অপরিশোধিত তেলের সংকটকে তীব্রতর করে তুলেছে।

ইরানের রাজধানী তেহরানের এক প্রধান তেল ডিপোতে শনিবার রাতে হামলার পর অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যাপক পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। সোমবার ‘ট্রেডিং সেশনে’ অপরিশোধিত তেলের দাম ২৩ ডলার বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৩ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

একটা ট্রেডিং সেশন বলতে আর্থিক বাজার ট্রেডিংয়ের জন্য নির্দিষ্টভাবে বেচা-কেনার জন্য যতক্ষণ খোলা থাকে, সেই সময়কালটিকে বোঝায়।

ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তার মধ্যে জি-সেভেন দেশগুলো নিজেদের স্ট্র্যাটেজিক অয়েল রিজার্ভ বা কৌশলগত তেলের ভাণ্ডার থেকে ৩০০-৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছেড়ে দিতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপানের অর্থমন্ত্রী সাতসুকি কাতায়ামা জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশানাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) বা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তরফে জি-৭ দেশগুলোকে পর্যায়ক্রমে তাদের রিজার্ভ খুলতে বলা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *