আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় রক্তাক্ত ইরান। সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে অগ্নিবর্ষণ করছে তাঁরা। রেহাই পায়নি বিশ্বের তৈল বাণিজ্যের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালীও। যার সরাসরি প্রভাব পড়ল অপরিশোধিত তেলের দামে। একধাক্কায় অনেকখানি বাড়ল অপরিশোধিত তেলের দাম।

রিপোর্ট বলছে, গত শুক্রবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল। ব্যারেল পিছু তেলের দাম ৭২ ডলার থেকে ১২ শতাংশ বেড়ে ৮০ ডলার অতিক্রম করেছে। এই দাম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, গত বছর ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে চলা ১২ দিনের যুদ্ধে ব্যারেল পিছু ৮০ ডলার ছাড়িয়েছিল অপরিশোধিত তেলের দাম। তারপর এই প্রথমবার বিশ্ববাজারে এতখানি বৃদ্ধি পেল তেলের দাম।

আরও পড়ুন:

ব্যারেল পিছু তেলের দাম ৭২ ডলার থেকে ১২ শতাংশ বেড়ে ৮০ ডলার অতিক্রম করেছে। এই দাম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জানা যাচ্ছে, খনিজ তেলের এই বিপুল দামবৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালীতে চলমান সংকট। এই রুট দিয়ে ট্যাঙ্কার যেতে বাধা দিচ্ছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অবশ্য জানিয়েছেন হরমুজ প্রণালী বন্ধের কোনও আগ্রহ তাদের নেই। তবে গত দু’দিনে এখান থেকে যাওয়া ৩টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরান। যার মধ্যে একটি ট্যাঙ্কারে ছিল ১৫ জন ভারতীয় নাবিক। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি আরও গুরুতর আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বিশ্ব বাজারে মোট অশোধিত তেলের ২০-২২ শতাংশ বাণিজ্য হয় হরমুজের পথ দিয়ে। যুদ্ধের জেরে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মধ্যে অবস্থিত এই জলপথ দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তেমনটা হলে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়াও আশ্চর্যের নয়। প্রসঙ্গত, সৌদি নেতৃত্বাধীন ওপেক জোটের চতুর্থ বৃহত্তম তেল উৎপাদক দেশ হল ইরান। মোট তেলের ১২ শতাংশ অবদান রাখে এই দেশ। দৈনিক ৩.৩ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করে ইরান। যা বিশ্বব্যাপী মোট উৎপাদনের ৩ লক্ষ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *