মৃত্যু খামেনেইয়ের সেনাপতির?Image Credit: সংগৃহিত (Social Media)

তেহরান: ইজরায়েলের হামলায় সম্ভবত মৃত্যু হয়েছে তাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহর। মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা ইরানের রিভলিউশনারি গার্ডসের কমান্ডর মোহাম্মদ পাকপৌরের। শনিবার সকাল থেকে দফায় দফায় তপ্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য। রাত গড়াতেই এল ইরানের বড় পদমর্যাদাধারীদের মৃত্যুর খবর।

আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, তাঁদেরকে তিনটি ভিন্ন সূত্র এই মৃত্য়ুর খবর নিশ্চিত করেছে। এর মধ্য়ে দু’টি ইজরায়েলি সামরিক বাহিনীর সূত্র এবং অন্যটি পশ্চিম এশিয়ার তৃতীয় কোনও দেশের সূত্র। যদিও এই মৃত্যুর খবরে এখনও সিলমোহর দেয়নি ইরান। বলে রাখা প্রয়োজন, নাসিরজ়াদা নিজেও ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তা। পরবর্তীতে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। আর পাকপৌর ২০২৫ সালে রিভলিউশনারি গার্ডসের কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পান।

শনিবার সকালে তেহরানে পরপর যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইজরায়েল, তার প্রথম টার্গেটই ছিল ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েস্কিয়ান। তেহরানে যেখানে হামলা চালানো হয়, সেখান থেকে কিছু দূরেই রয়েছে খামেনেইয়ের দফতর। তবে খামেনেই এখন কোথায় রয়েছেন, তা গোটা বিশ্বের কাছেই অজানা। গতবছর মার্কিন হামলার সময় আগেভাগে বাঙ্কারে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। এবারেও কি আগেই খবর পেয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?

ইরানের সংবাদমাধ্যমের দাবি, খামেনেই সুরক্ষিত রয়েছেন। হামলা শুরু হতেই তাঁকে গোপন এবং নিরাপদ একটি আস্তানায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইরান প্রশাসনের এক কর্তাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স তাঁদের একটি প্রতিবেদনে লিখেছে, হামলার কোনও আঁচ খামেনেইয়ের গায়ে পড়েনি। কিন্তু সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা প্রাণে বেঁচে গেলেও, তাঁর দুই সেনাপতিকে নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। তাঁরা যেন জীবন-মৃত্যুর মাঝে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *