শ্রেণিতন্ত্রের পর্দা সরিয়ে অন্যভাবে সমাজকে মানুষকে দেখার চোখ খুলে দিয়েছে রঞ্জন ঘোষের ‘অদম্য’। মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত, খুব ধনী, যে কোনও শ্রেণিকে নিয়েই ছকে বাঁধা একটা দৃষ্টিভঙ্গই রয়েছে বহু সিনেপ্রেমীর। ‘ইন্টেলেকচুয়াল’ বাঙালির গল্পই যেন ঘুরেফিরে আসে পর্দায়। সেখান থেকে এক্কেবারে অন্য ধাঁচের ছবি নিয়ে এসেছেন চলতি মাসেই পরিচালক রঞ্জন ঘোষ। এই ছবি মাটির কাছাকাছি থাকার, শহর কলকাতা থেকে দূরে বেড়ে ওঠা মানুষের গল্প বলে ‘অদম্য’। এবার বড়পর্দায় এই ছবি দেখলেন ইন্ডাস্ট্রির ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। রঞ্জন ঘোষের ছবি দেখে তিনি যারপরনাই খুশি।

আরও পড়ুন:

‘অদম্য’ দেখে হল থেকে বেরিয়ে এই ছবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন প্রসেনজিৎ। তুলে ধরেন এর শৈল্পিক দিক, সূক্ষাতিসূক্ষভাবে ছবির প্রতিটি দৃশ্যকে তুলে ধরার মতো বিষয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন তিনি। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “রঞ্জন ঘোষের ‘অদম্য’ মাস্ট ওয়াচ। একবার হলেও যা বড়পর্দায় দেখতে হবে।” পর্দায় ‘অদম্য’ দেখার অভিজ্ঞতা দর্শকমনে আলাদা অনুভূতির সঞ্চার ঘটাবে বলেই তাঁর মত। অন্যদিকে এই ছবির পরিচালক রঞ্জন ঘোষ বলেন, “প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের থেকে এমন প্রশংসা পেয়ে আমি আপ্লুত। এ আমার পরম প্রাপ্তি।”

‘অদম্য’ ছবির দৃশ্য, ছবি: সোশাল মিডিয়া।

‘অদম্য’ দেখে হল থেকে বেরিয়ে এই ছবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন প্রসেনজিৎ। তুলে ধরেন এর শৈল্পিক দিক, সূক্ষাতিসূক্ষভাবে ছবির প্রতিটি দৃশ্যকে তুলে ধরার মতো বিষয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন তিনি।

মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত, খুব ধনী, যেন একটা ছকে বাঁধা দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে দিয়েছে বহু বাংলা ছবি। এমন একটা সময়ে রঞ্জন ঘোষ পরিচালিত ‘অদম্য’ যেন দমকা হাওয়া। এক ঝটকায় নান্দনিক পর্দা সরিয়ে দিয়ে অন্য এক সমাজকে দেখতে, চিনতে শেখায়। আর সেই সঙ্গে মুহূর্তে বদলে যায় বাংলা ছবির চেনা ছবিটা। শহুরে দর্শক সন্দিহান হয়ে পা রাখে অচেনা পরিসরে। আমরা দেখি একলা ছেলে হাঁটছে সেই পথে। তার নাম পলাশ, আর সেই চরিত্রেই অভিনয় করেছেন আরিয়ুন ঘোষ। তাঁকে নিয়েই আবর্তিত হয়েছে গোটা ছবিটা। গ্রাম থেকে গ্রামাঞ্চলে তার একা যাপন, একেবারে ন্যূনতম উপাদানে ‘পলাশ’র প্রতিদিনের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের গল্প বলে রঞ্জন ঘোষ পরিচালিত ‘অদম্য’।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *