ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনউ শহরে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ক্যারিয়ার নিয়ে পিতা-পুত্রের দীর্ঘদিনের অশান্তি ও চাপের জেরে ২১ বছরের এক যুবক তার বাবাকে রাইফেল দিয়ে গুলি করে খুন করে। এরপর দেহ টুকরো টুকরো করে কিছু অংশ বাইরে ফেলে দিয়ে বাকি অংশ বাড়ির মধ্যে একটি নীল ড্রামে লুকিয়ে রাখে।

আজ (২৪ ফেব্রুয়ারি) মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, ঘটনার সময় যুবকের বোন সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং তার সামনেই এই ভয়াবহ কাণ্ড ঘটানো হয়। নিহত ব্যক্তির নাম মনবেন্দ্র সিং। তিনি ওষুধ ব্যবসা এবং মদের লাইসেন্স-সংক্রান্ত ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তের সময় ছেলে অক্ষত প্রতাপ সিংয়ের বয়ানে অসঙ্গতি দেখা যায়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে চাপের মুখে সে পুরো ঘটনা স্বীকার করে।

অক্ষত জানিয়েছে, তার বাবা বারবার জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা (নিট) পরীক্ষায় বসতে এবং ডাক্তার হতে চাপ দিতেন। কিন্তু সে এতে রাজি ছিল না। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল। একবার সে বাড়ি থেকে পালিয়েও গিয়েছিল। ২০ ফেব্রুয়ারি আবার কথা কাটাকাটি শুরু হলে রাগের মাথায় অক্ষত তার বাবার লাইসেন্সপ্রাপ্ত রাইফেল দিয়ে গুলি করে। এরপর তিনতলা থেকে দেহ টেনে নিচে একটি ফাঁকা ঘরে নিয়ে গিয়ে টুকরো করতে শুরু করে।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ড্রাম থেকে দেহাংশ উদ্ধার করে। অক্ষতের স্বীকারোক্তির পর ফরেনসিক টিম নমুনা সংগ্রহ করছে এবং বাকি দেহাংশ উদ্ধারে তল্লাশি চলছে। অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *