কারা জিততে পারে ঘাটালে?Image Credit: TV9 Bangla

ঘাটাল: একসময় এই কেন্দ্রে ছিল সিপিএমের দাপট। ২০১১ সালের রাজ্যে পালাবদলের সময় এই কেন্দ্রও বামেদের হাতছাড়া হয়। ফোটে ঘাসফুল। কিন্তু একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ফুল বদল হয়েছে। ফুটেছে পদ্ম ফুল। ছাব্বিশের নির্বাচনে কী ফল হতে পারে বন্যাকবলিত ঘাটাল বিধানসভা কেন্দ্রে? টিভি৯ বাংলার জনমত সমীক্ষায় কী জানা গেল? কী বলছেন ঘাটাল বিধানসভার বাসিন্দারা? এবার সেখানে কোন ফুল ফুটতে পারে?

ঘাটাল বিধানসভার কথা বললেই সামনে আসে বন্যার সমস্যার কথা। প্রতি বছর বন্যায় প্লাবিত হয় ঘাটাল। দুর্ভোগ পোহাতে হয় সেখানকার বাসিন্দাদের। দশকের পর দশক ধরে ঘাটালের বন্যা নিয়েই রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরকে নিশানা করেছে। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কথা শোনা যায়। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান অন্যতম ইস্যু ঘাটালের রাজনীতিতে। সেই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার। ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে বিরোধীদের অভিযোগ, রাজ্যের এই উদ্যোগে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়। তবে তৃণমূলের বক্তব্য, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ তাদের সরকারই সম্পূর্ণ করবে। এই নিয়ে রাজনৈতিক তরজা জারি রয়েছে। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান ছাব্বিশের নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। এরই মধ্যে টিভি৯ বাংলার জনমত সমীক্ষায় নিজেদের মতামত জানালেন সেখানকার ভোটাররা।

ঘাটাল বিধানসভা কেন্দ্র ঘাটাল লোকসভার অন্তর্গত। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ঘাটালে তৃণমূল প্রার্থী দেব জিতেছেন। তবে ঘাটাল বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল ও বিজেপির প্রাপ্ত ভোট কাছাকাছি ছিল। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল বিধানসভায় কেন্দ্রে তৃণমূল পেয়েছিল ৪৭.৯৫ শতাংশ ভোট। সেখানে বিজেপি পেয়েছিল ৪৬.০৩ শতাংশ ভোট। আর বাম-কংগ্রেস প্রার্থীর ঝুলিতে গিয়েছিল ৩.৭৭ শতাংশ ভোট। বিজেপির থেকে এই কেন্দ্রে ৪ হাজার ৪০৫টি ভোট বেশি পায় তৃণমূল।

একুশের নির্বাচনে ঘাটালে পদ্ম ফুল ফুটলেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছিল। বিজেপি পেয়েছিল ৪৬.৯৫ শতাংশ ভোট। সেখানে তৃণমূল পেয়েছিল ৪৬.৫২ শতাংশ ভোট। আর বাম-কংগ্রেস প্রার্থী পেয়েছিলেন ৪.৫১ শতাংশ ভোট। বিজেপির প্রার্থী শীতল কপাট ৯৬৬ ভোটে জিতেছিলেন।

এবার কী ফল হতে পারে ঘাটালে? টিভি৯ বাংলার জনমত সমীক্ষা বলছে, ঘাটালে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা। লড়াই হবে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে। তবে জনমত সমীক্ষা ভোটের ফলের আভাস দেয় মাত্র। জনমত সমীক্ষার সঙ্গে ভোটের ফল সবসময় নাও মিলতে পারে। এবার আবার কংগ্রেস ও বামেরা একসঙ্গে লড়ছে না। ফলে একুশের নির্বাচনে যে ভোট সিপিএম প্রার্থী পেয়েছিলেন, সেই ভোট ভাগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাম ও কংগ্রেসের মধ্যে ভোট ভাগাভাগিতে ফলাফলে কোনও প্রভাব পড়বে কি না, সেই জল্পনা জারি রয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *