খবর অনলাইন ডেস্ক: এবারের আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপে সুপার এইটে পাকিস্তান যেতে পারবে কি না তা নিয়ে কিছুটা সংশয় ছিল। শেষ পর্যন্ত গ্রুপের শেষ খেলায় নামিবিয়াকে স্বচ্ছন্দে বড়ো ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিল সলমন আঘার দল। ওদিকে গ্রুপ ‘এ’-র শেষ খেলায় নেদারল্যান্ডস ভারতের কাছে হারলেও তারা প্রতিপক্ষকে বেশ ভালো রকমই বেগ দিয়েছে।
বুধবার কলম্বোর সিংহলিস স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে আয়োজিত ম্যাচে পাকিস্তানের জয়ে বড়ো ভূমিকা নেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান এবং স্পিন বোলার উসমান তারিক। ফারহান দুর্দান্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত সেঞ্চুরি করেন। এর পর তারিক মাত্র ১৬ রান দিয়ে চারটি উইকেট দখল করেন।
ফারহান ৫৮ বলে ১০০ রান করেন, যার মধ্যে ছিল ১১টি চার ও চারটি ছক্কা। তাঁর এই ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান ৩ উইকেটে ১৯৯ রান তোলে। সালমান আঘা ২৩ বলে গুরুত্বপূর্ণ ৩৮ রান করেন, আর শাদাব খান ২২ বলে ৩৬ রান যোগ করেন।
– বিজ্ঞাপন –
জবাবে নামিবিয়া ১৭.৩ ওভারে ৯৭ রানেই অলআউট হয়ে যায়। তাদের হয়ে কেবল লরেন স্টিনক্যাম্প (২৩) এবং আলেকজান্ডার ভলসেঙ্ক (২০) দুই অঙ্কের রান করতে পেরেছিলেন।
তারিক ছাড়া আর যাঁরা পাকিস্তানের হয়ে উইকেট নেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শাদাব খান। তিনি ১৯ রান দিয়ে ৩টি উইকেট দখল করেন। সলমন মির্জা ও মোহাম্মদ নওয়াজ একটি করে উইকেট নেন। রান তাড়া করতে নেমে নামিবিয়া খুবই সংগ্রাম করে এবং চার ম্যাচেই হেরে কোনো জয় ছাড়াই তাদের অভিযান শেষ হয়। পাকিস্তান জেতে ১০২ রানে। ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ হন সাহিবজাদা ফারহান।

লিগ পর্বে চারে চার। ছবি ‘এক্স’ থেকে নেওয়া।
ভারতের জয় মাত্র ১৭ রানে
ভারত আগেই গ্রুপ ‘এ’ থেকে সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছিল। তাই নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে তাদের এই ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। কিন্তু সেই ম্যাচেই ভালো লড়াই করে মাত্র ১৭ রানে হেরে গেল ডাচেরা। বুধবার অহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে আয়োজিত ম্যাচে ভারতের জয়ের পিছনে বড়ো ভূমিকা থাকল ব্যাট হাতে শিবম দুবের এবং বল হাতে বরুণ চক্রবর্তীর।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ারপ্লেতেই ভারত দুই ওপেনারকে হারায়। অভিষেক শর্মা টানা তৃতীয়বারের মতো শূন্য রানে আউট হন। তবে এর পর শিবম দুবে মাত্র ৩১ বলে ৬৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। শিবমের পাশাপাশি অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব (৩৪), হার্দিক পাণ্ড্য (৩০) এবং তিলক বর্মার (২৮) ব্যাটিংয়ের দৌলতে ভারত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৩ রান তোলে।
জবাবে নেদারল্যান্ডস ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৬ রান করতে সক্ষম হয়। কেউই বড়ো রকমের স্কোর না করলেও সকলেই কিছু না কিছু রান করেন। বরুণ চক্রবর্তী তিনটি উইকেট নেন, যার মধ্যে টানা দুই বলে দুই উইকেট ছিল। দুবে দুটি উইকেট নেন এবং ১টি করে উইকেট নেন জসপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ড্য। ভারত জেতে মাত্র ১৭ রানে। ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ হন শিবম দুবে।
