রাজ্যসভায় আসন শূন্য হতে চলেছে একাধিক রাজ্যে। সেই প্রেক্ষিতে ১৬ মার্চ ভোটের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি-সহ মোট ৩৭টি আসনে একই দিনে নির্বাচন হবে বলে কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ জন রাজ্যসভার সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিল। ফলে সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই তার আগেই নতুন প্রতিনিধিদের নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইছে কমিশন।
নির্বাচনের সম্পূর্ণ সূচি
– বিজ্ঞাপন –
- ২৬ ফেব্রুয়ারি: নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি
- ৫ মার্চ: মনোনয়ন জমার শেষ দিন
- ৬ মার্চ: মনোনয়ন যাচাই
- ৯ মার্চ: প্রত্যাহারের শেষ দিন
- ১৬ মার্চ: ভোটগ্রহণ
যদি কোনও আসনে একমাত্র প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন, তবে ভোটের প্রয়োজন হবে না—বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন তিনি।
বাংলার রাজনৈতিক চিত্র
বাংলায় যাঁদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সী। তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া মৌসম বেনজির নূর ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন। একই দিনে মেয়াদ শেষ হচ্ছে সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য-রও।
বর্তমান বিধানসভা শক্তি অনুযায়ী, পাঁচটির মধ্যে চারটিতে তৃণমূল কংগ্রেস-এর জয় সম্ভাব্য বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত। একটি আসনে এগিয়ে থাকতে পারে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে অতিরিক্ত প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলে ভোটাভুটি অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে।
অন্যান্য রাজ্যে নির্বাচন
একই দিনে মহারাষ্ট্র (৭), তামিলনাড়ু (৬), বিহার (৫), ওড়িশা (৪), অসম (৩), ছত্তীসগঢ় (২), হরিয়ানা (২), তেলঙ্গানা (২) এবং হিমাচল প্রদেশ (১) রাজ্যসভা আসনেও নির্বাচন হবে।
রাজ্যসভা নির্বাচন সরাসরি সাধারণ ভোটে নয়, সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধায়কদের ভোটে নির্ধারিত হয়। ফলে প্রতিটি রাজ্যের বিধানসভা সমীকরণই এখানে মূল নির্ধারক।
এই নির্বাচনের ফলেই আগামী ছ’বছরের জন্য উচ্চকক্ষের রাজনৈতিক ভারসাম্য অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যাবে।
