চপলা রানী মণ্ডল
ছবির ক্যাপশান, সুন্দরবন ও এর আশেপাশের নদীকে ঘিরে জীবন-জীবিকা যাদের, এমনএকজন নারী

“নদীতে সন্ধ্যা রাত্তিরে যে সময় বোট না আসতি পারে, সেই সময় ফাঁকে দুইজন চইলে যাই। যখন দেখি অনেক দূরে বোট আছে তখন দুটো ওঁচোল দিয়ে টুপ কইরে চইলে আসি। বাজারে ছেটে দিয়ে আসি, দুইশো, একশো যা হয় তাই দিয়ে চলি”- কথাগুলো বলছিলেন বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার পশ্চিম চিলার এলাকার চপলা রানী মণ্ডল।

নদীতে নিষেধাজ্ঞার সময় কিভাবে সরকারি অভিযানকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাছ ধরেন, সেই কথাটিই বলছিলেন মিজ মণ্ডল। যে মাছ ধরেন, তা বাজারে বিক্রির জন্য নির্ধারিত স্থান ‘ছেট’ এ দেওয়ার কথা বলছিলেন তিনি।

মোংলার যে পাড়ায় তার ঘরে বসে কথা হচ্ছিলো, তার পাশ দিয়েই বয়ে গেছে পশুর নদী।

সুন্দরবনের ঢাংমারি নদী, পশুর নদী, ঘসিয়াখালী চ্যানেলে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন মিজ মণ্ডলের মতো এখানকার প্রায় আড়াই হাজার বাসিন্দা।

কেবল চপলা রানী মণ্ডলই নয়, ক্লারা সরকারসহ আরো অনেক নারীই পুরুষদের সাথে মাছ ধরার জন্য নদীর লবনাক্ত পানিতে নামেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *