প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীImage Credit: PTI

নয়া দিল্লি: আজ সংসদে জবাবি ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার বিরোধীদের হই হট্টগোলে মুলতুবি হয়ে যায় লোকসভার অধিবেশন। জবাবি ভাষণই দিতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। মূলত রাহুল গান্ধীকে বিশ্বাসঘাতক বলার জন্য দফায় দফায় উত্তপ্ত হয় লোকসভার কক্ষ। প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধী সাংসদরা। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে সভা মুলতুবি করা হয়।

সংসদে বুধবার রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের জবাবি ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। সকাল থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় সংসদের নিম্নকক্ষে। মূলত গান্ধী পরিবারকে অপমানজনক মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিরোধীরা। সঙ্গে আরও বেশ কয়েকটি ইস্যু ছিল।  চিনের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য সমঝোতা-সহ একাধিক কূটনৈতিক ইস্যুও ছিল। সংসদের পরিস্থিতি নজিরবিহীনভাবে উত্তপ্ত হয়। এমন দৃশ্য ধরা পড়ে, যে বিরোধী মহিলা সাংসদরা ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে দেখাতে প্রায় প্রধানমন্ত্রী আসনই ঘিরে ফেলেছিলেন।

BJP সাংসদ মনোজ তিওয়ারি বলেছিলেন, “একাধিক বিরোধী মহিলা সাংসদ সংসদের ওয়েলে নেমে প্রধানমন্ত্রীর আসনের দিকে এগিয়ে আসেন। তাঁদের নিজস্ব সিটে ফিরে যাওযার অনুরোধ করছিলেন স্পিকার। কিন্তু কোনও তাঁরা সে কথা অগ্রাহ্য করেন।”  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।

বিক্ষোভের সময়ে বিরোধী দলের  মহিলা সাংসদদের একাংশকে ট্রেজারি বেঞ্চের দিকে এগিয়ে যেতেও দেখা যায়। BJP সাংসদ নিশিকান্ত দুবের সঙ্গে তীব্র বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। জয়তিমণি ও বর্ষা গায়কোয়াড় সহ বেশ কয়েকজন সাংসদের ছবিও ধরা পড়ে। বুধবার বিকেল ৫টার পর ফের অভিবেশন শুরু হলে বিরোধী সাংসদেরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সভা সম্পূর্ণ মুলতুবি করে দেওয়া হয়।  জবাবি ভাষণই দেওয়াই হয়নি প্রধানমন্ত্রীর। আজ জবাবি ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *