রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর Image Credit: TV 9 Bangla

চুঁচুড়া: সিঙ্গুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় স্কুল পড়ুয়ারা। হুগলির ডিআই অফিসে আছড়ে পড়ল বিজেপির বিক্ষোভ। শিক্ষাভবন কেটে করে দেওয়া হল তৃণমূল ভবন। চুঁচুড়ায় ডিআই অফিস ঘেরাও করে তালা ভাঙার চেষ্টা। ইঁট দিয়ে ভাঙার চেষ্টা করা হয় কলাপসিবল গেট। ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। খবর পেয়ে ছুটে আসে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। পুলিশের সঙ্গেও ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভকারীদের। পরে পাঁচজনের একটি প্রতিনিধি দল ডিআই অফিসে ঢোকে স্মারকলিপি জমা দিতে।

তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিজেপির মহিলা মোর্চা নেত্রী অরূপা সামন্ত। রাজ্য সরকারের তুলোধনা করে তিনি বলেন, “শিক্ষা তো নেই। সব জায়গায় তো তৃণমূলের দাদাগিরি চলছে। তাই শিক্ষাভবনটা কেটে দিয়ে আমরা তৃণমূল ভবন করে দিয়েছি। যেখানে স্কুল থেকে বাচ্চাদের নিয়ে গিয়ে জনসভা ভরাতে হয় সেখানে এই দফতরটা রেখে কী হবে? তৃণমূলের দালাল পুলিশ আমাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে, তাই ধস্তাধস্তি হয়েছে।”   

অন্যদিকে এ নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে একের পর এক ভিডিয়ো পোস্ট করে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। জনপ্রিয়তা কমছে মমতার, এটা তার প্রমাণ। বলছেন মালব্য। তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন হুগলি জেলা বিজেপির সদস্য সুরেশ সাউও। তিনি বলেন, “স্কুলের পড়ুয়াদের রাজনীতির ময়দানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। স্কুলের শিক্ষকরা তো অভিভাবকদের পর্যন্ত কিছুই জানাননি। শুধু ভিড় বাড়ানোর জন্য ওদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এটা প্রমাণ করছে কীভাবে শিক্ষাঙ্গন রাজনীতিতে পরিপুষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই, ধিক্কার জানাই।” শিক্ষাভবনের কর্মীদের বিরুদ্ধে তোপের পর তোপ দেগে বলেন, “শিক্ষা দফতরের যে আধিকারিকরা ছিলেন তাঁদের আমাদের কথা শোনার দরকার ছিল। কিন্তু উল্টে তাঁরা তালা লাগিয়ে দিয়েছেন। যে সময় অফিসের কাজ চলে সেই সময় আমরা এসেছিলাম। তাও তালা দিয়েছে। সে কারণেই আমাদের কর্মীরা তালা ভাঙার চেষ্টা করে। ওরা কেন কথা বলবে না?” 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *