এবার প্রায় ৪৩ হাজার কেন্দ্রে প্রায় আড়াই লাখ ভোটকক্ষ থাকবে, আর ভোটার সংখ্যা পৌনে ১৩ কোটি।

ছবির উৎস, NurPhoto via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, এবার প্রায় ৪৩ হাজার কেন্দ্রে প্রায় আড়াই লাখ ভোটকক্ষ থাকবে, আর ভোটার সংখ্যা পৌনে ১৩ কোটি। ( ফাইল ছবিটি নির্বাচনের প্রস্তুতি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে)

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন’ কিংবা ‘ফজরের নামাজ পড়েই ভোটের লাইনে দাঁড়াতে হবে’ – নির্বাচনী সভা সমাবেশে রাজনৈতিক নেতাদের এ ধরনের বক্তব্যগুলো নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠছে যে, মধ্যরাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে কিংবা ভোরে ফজরের নামাজের পরই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর জন্য কেন বিভিন্ন দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা তাদের সমর্থকদের আহবান জানাচ্ছেন।

আবার এ কথাও উঠছে যে, চাইলেই নির্বাচনের দিন ভোট আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই ভোটাররা ভোট দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়াতে পারেন কি-না।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশৃঙ্খলা না হলে ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে আইনগত কোনো সমস্যা নেই তবে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার আগে তারা ভোটদানের জন্য কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পাবেন না।

তাদের মতে, ভোটের সময়ে রাজনৈতিক নেতারা ‘রাজনৈতিক বক্তৃতা’ হিসেবেই কিংবা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের কর্মী সমর্থকদের চাঙ্গা করতে তাদের নিজস্ব ‘আক্রমণাত্মক বক্তব্যের অংশ’ হিসেবে এসব বক্তব্য দিয়ে থাকতে পারেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *