দাভোসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।Image Credit: PTI

ওয়াশিংটন: পিছু হটতে হল ট্রাম্পকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুধবার ঘোষণা করলেন যে গ্রিনল্যান্ডের উপরে আমেরিকার  নিয়ন্ত্রণের দাবিকে সমর্থন না করায় ইউরোপের যে সমস্ত ‘বন্ধু দেশে’র উপরে শুল্ক চাপানোর হুমকি দিয়েছিলেন, সেই পরিকল্পনা বাতিল করছেন। কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত বদল?

ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন যে ন্যাটোর সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে। আর্কটিকের নিরাপত্তা নিয়ে ভবিষ্যতের চুক্তির কাঠামো তৈরি করতে রাজি হয়েছে ন্যাটো। তারপরই শুল্ক বসানোর সিদ্ধান্ত বদল করেছেন।

প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই গ্রিনল্যান্ড দাবি করে বসেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান যে তিনি গ্রিনল্যান্ড কিনে নিতে চান। দ্বীপের নাম থেকে শুরু করে মালিকানা, অধিকার- সব আমেরিকার হবে। ন্যাটো যেন তাদের কাজে বাধা দিতে না আসে। ট্রাম্পের এই দাবিতে স্বাভাবিকভাবেই না বলে গ্রিনল্যান্ড। ইউরোপের একাধিক দেশও আপত্তি তোলে।

তারপরই ট্রাম্প নিজের ট্যারিফ অস্ত্র বের করেন। ঘোষণা করেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, ব্রিটেন,  নরওয়ে, জার্মানি, সুইডেন, নেদারল্যান্ড, ফিনল্যান্ডের উপরে ১০ শতাংশ করে শুল্ক বসাবেন। যদি দ্রুত চুক্তি না হয়, তাহলে ১ জুন থেকে শুল্ক বেড়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।

তবে দাভোসের মঞ্চে ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার দাবি প্রসঙ্গে বললেন যে তিনি দুর্গম ও চরম ঠান্ডা ওই অঞ্চল চেয়েছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কীভাবে আমেরিকা ইউরোপকে সাহায্য করেছিল এবং ন্যাটো তৈরির প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, “আমরা দশকের পর দশক ধরে যা দিয়ে এসেছি, সেই তুলনায় এটা খুবই ছোট। হয়তো আমি অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত না নিলে এটা পাব না। আর সত্যি বলতে, তাতে (শক্তি প্রয়োগে) আমরা অদমনীয় হব। কিন্তু আমি সেটা করব না, ওকে? আমার করার প্রয়োজন নেই। এবং আমি শক্তি প্রয়োগ করতে চাই না।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *