ছবিতে দেখা যাচ্ছে চোখে গাড় কাজল দেওয়া একজন বেদুইন নারী জমকালো পোশাক পরেছেন। তার কপালে ও মাথার দুইপাশে অলংকার। স্বচ্ছ কাপড়ে মুখ ও নাক ঢেকে রেখেছেন। পোশাকটি একটি প্রাণবন্ত লাল কাপড়ের তৈরি, যার মধ্যে রয়েছে জটিল সোনালী নকশা।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, আরবের কাজলের তাৎপর্যকে স্বীকৃতি দিয়ে এটিকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত করেছে ইউনেস্কো

চোখে কালো কাজলের কদর কেবল কবিরাই দিয়েছেন, এমন নয়। বিশ্বের নানা প্রান্তে, এশিয়া থেকে ইউরোপে, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে আছে কাজল। কাজলের ঐতিহ্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কোও।

গত ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো আরবের কাজলের তাৎপর্যকে স্বীকৃতি দিয়ে এটিকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত করে।

“আমি যখন আমার ব্রুকলিনের (আমেরিকা) ফ্ল্যাটে, বাড়ি থেকে অনেক দূরে বসে আইলাইনার পরি, তখন মনে হয় আমি আমার মা, আমার দাদী এবং মধ্যপ্রাচ্যের অসংখ্য নারীর সঙ্গে এক ধরনের সংযোগ তৈরি করছি,” বিবিসি গ্লোবাল উইমেনকে বলেন সাংবাদিক জাহরা হানকির।

ঐতিহ্যগতভাবে নারী-পুরুষ উভয়েই চোখে কাজল বা সুরমা ব্যবহার করে আসছে। এর ইতিহাস হাজার হাজার বছর পুরোনো, সভ্যতার প্রাচীন যুগ পর্যন্ত বিস্তৃত।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *