কলকাতা: বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই নানা ইস্যুতে সরব তৃণমূল কংগ্রেস। হিয়ারিংয়েও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যের শাসকদলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। এই আবহে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় ‘বিশেষ’ নজর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় নজরদারির জন্য এবার আসছেন ৪ জন স্পেশাল রোল অবজার্ভার।

স্পেশাল রোল অবজার্ভার হিসেবে বাংলায় আসছেন বিকাশ সিং, সন্দীপ রেওয়াজি রাঠোর, রতন বিশ্বাস এবং ডক্টর শৈলেশ। কলকাতায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসে বসবেন তাঁরা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তাঁরা প্রয়োজনে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করতে পারেন।

বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রক্রিয়া যেন কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়, তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্যে আসছেন এই চার স্পেশাল রোল অবজার্ভার। কমিশন জানিয়েছে, স্পেশাল রোল অবজার্ভারদের কাজ হবে কোনও বৈধ ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করা। আর কোনও অযোগ্য ভোটারের নাম তালিকায় যেন না থাকে, তা দেখা। ক্লেম ও অবজেকশন প্রক্রিয়া শুরু থেকে তাঁরা দায়িত্ব পালন করবেন। এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করবেন স্পেশাল রোল অবজার্ভাররা। এই চার স্পেশাল রোল অবজার্ভার সিইও-র অফিসে বসে সব এনামুরেশন ফর্ম চেক করবেন। প্রয়োজনে গোটা রাজ্যে যাবেন।

এদিকে, এদিন সিইও দফতর জানিয়েছে, একাধিক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে বিএলও, এইআরও, ইআরও-দের গাফিলতির জন্য লজিক্যাল ডেস্ক্রিপেন্সির সংখ্যা বাড়ছে। সিইও দফতরের আরও বক্তব্য, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর চাইলেও পাওয়া গেল না। পাওয়া গেলে সুবিধা হত। বিএলও-দের মৃত্যু নিয়ে এখনও কোনও জেলাশাসক রিপোর্ট পাঠাননি বলে জানাল সিইও দফতর। নাম কিংবা বানান ভুলের জন্য শুনানি হবে কি না, তার জন্য কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সিইও দফতর। এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার ইআরও ও এইআরও এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-র বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ কেন এখনও কার্যকর করা হল না, তা নিয়ে দুই জেলার জেলাশাসকদের রিমাইন্ডার দিল কমিশন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *