ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো (ডান) ও ভেনেজুয়েলার ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস (বাঁ দিকে) হাত তুলে হাসিমুখে  সম্ভাষণ জানাচ্ছেন।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো (ডান) এবং ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস (বাঁ দিকে)

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে যখন যুক্তরাষ্ট্র নৈশ অভিযান চালায়, তখন তারা শুধু ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে নিউ ইয়র্কগামী নৌযানে তোলেনি, তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকেও গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

৬৯ বছর বয়সী সিলিয়া ফ্লোরেসকে ভেনেজুয়েলার অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখা হয়। কারণ তিনি নিজেই একজন দক্ষ রাজনৈতিক কুশীলব। গত কয়েক দশক ধরে তিনি ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক গতিপথ ও ভাগ্য নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে এসেছেন।

দেশটির ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে বহু বছর ধরে কাজ করার পর ২০১৩ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার স্বামী নিকোলাস মাদুরো জয়ী হলে, মাদুরোকে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ও মাদুরোর অবস্থান আরও দৃঢ় করতে তিনি পর্দার আড়াল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

দেশটির ফার্স্ট লেডি হিসেবে মাদুরো তাকে “ফার্স্ট ওয়ারিয়র” নামে ডাকতেন।

প্রকাশ্যে তিনি তুলনামূলকভাবে আড়ালে থাকলেও সমালোচকদের মতে, কঠোর শাসনব্যবস্থার বিপরীতে একটি পরিবারকেন্দ্রিক ভাবমূর্তি তুলে ধরতেন সিলিয়া ফ্লোরেস।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *