দীর্ঘ দুই দশকের আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্যারিয়ারে ব্যক্তিগত অর্জন আর দলীয় সাফল্যের অভাব নেই সাকিব আল হাসানের। নতুন বছরের শুরুতেই তার সামনে যুক্ত হয়েছে আরও একটি শিরোপা জয়ের সুযোগ। আজ রাতে আইএল টি–টোয়েন্টির ফাইনালে মাঠে নামছেন বাংলাদেশের এই তারকা অলরাউন্ডার।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে সাকিবের দল এমআই এমিরেটসের প্রতিপক্ষ ডেজার্ট ভাইপার্স। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে ফাইনাল। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে এটি হতে যাচ্ছে সাকিবের ১৬তম ফাইনাল ম্যাচ।
স্বীকৃত টি–টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ৪৬৯ ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। এর আগে ১৫টি ফাইনালে অংশ নিয়ে সাতবার শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। তবে ফাইনাল গুলোতে পরিসংখ্যানের দিক থেকে খুব উজ্জ্বল ছিলেন না আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের সাবেক এক নম্বর অলরাউন্ডার। ওই ম্যাচগুলোতে ব্যাট হাতে তার সংগ্রহ ২১৯ রান, গড় ১৬.৮৪ ও স্ট্রাইক রেট ১৩৬.০২। ফাইনালে তার সর্বোচ্চ ইনিংস ২০১৩ সালের বিপিএলে করা ৪১ রান।
বল হাতেও ফাইনালগুলোতে মাঝারি সাফল্য পেয়েছেন সাকিব। ১৫ ইনিংসে নিয়েছেন ১৫ উইকেট, একাধিক উইকেট পেয়েছেন মাত্র দুটি ম্যাচে।

তবে এবার শুরুর দিকে কয়েকটি ম্যাচে সুযোগ না পাওয়া সাকিব ফাইনালে ওঠার পথে কোয়ালিফায়ার–২ ম্যাচে দলের জয়ের নায়ক ছিলেন। আবুধাবি নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বল হাতে দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন তিনি—চার ওভারে মাত্র ২০ রান দেন। পরে ব্যাট হাতে ২৪ বলে ৩৮ রানের কার্যকর ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জিতে নেন। ফাইনালের প্রতিপক্ষ ভাইপার্সের বিপক্ষে ম্যাচেও ১৪ রানে ২ উইকেট নেয়ার পর অপরাজিত ১৭ রান করে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে ৪৬তম ম্যাচ সেরার স্বীকৃতি পেয়েছেন সাকিব। এই সংস্করণে তার চেয়ে বেশি ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হয়েছেন কেবল ক্রিস গেইল (৬০), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৪৮) এবং এমআই এমিরেটসেরই আরেক তারকা কাইরন পোলার্ড (৪৮)।
ফাইনাল ম্যাচেও এমআই এমিরেটস স্বাভাবিকভাবেই সাকিবের কাছ থেকে অলরাউন্ড অবদান প্রত্যাশা করছে।
