Gig Workers Strike: দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন আমাজন, সুইগি, জোমাটো, জেপ্টো, ফ্লিপকার্ট, ব্লিঙ্কিটের মতো ডেলিভারি অ্যাপের কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে সুইগি ও জোমাটোর তরফে কর্মীদের বর্ষশেষে ও ব্যস্ততম সময়ে ইনসেনটিভ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

Zomato-Swiggy: সুইগি ও জোম্যাটো-র মতো প্ল্যাটফর্মের গিগ কর্মীরা (Gig Workers) কম মজুরি, কাজের চাপ ও সামাজিক সুরক্ষার অভাবের প্রতিবাদে সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্মঘট ডেকেছিল, যার মোকাবিলায় কোম্পানিগুলো নিউ ইয়ারের ব্যস্ততায় অতিরিক্ত ইনসেনটিভ (যেমন, প্রতি অর্ডারে ₹১२०-১৫০) এবং বোনাস অফার করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে, তবে কর্মীরা এতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয় এবং তাদের মূল দাবি—’ওয়ার্কার’ হিসেবে স্বীকৃতি, ন্যায্য পারিশ্রমিক, ও উন্নত কাজের পরিবেশের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। 

ধর্মঘটের মূল কারণ-

  • অতিরিক্ত কাজের চাপ ও কম আয়: কর্মীরা ১৪-১৬ ঘণ্টা কাজ করেও দৈনিক হাজার টাকাও আয় করতে পারছেন না বলে অভিযোগ, বিশেষত ১০ মিনিটের ডেলিভারির মতো চাপযুক্ত পরিষেবা তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
  • আয় কমে যাওয়া: রেট কার্ড বা ইনসেনটিভ কাঠামোর বারংবার পরিবর্তনে আয় কমে যাচ্ছে।
  • সামাজিক সুরক্ষার অভাব: বীমা, ছুটি বা মাতৃত্বকালীন সুবিধার মতো সামাজিক সুরক্ষা নেই।
  • স্বচ্ছতার অভাব: আইডি ব্লক করা, রেটিং-ভিত্তিক জরিমানা বা অ্যালগরিদমের সিদ্ধান্ত নিয়ে কর্মীদের ক্ষোভ রয়েছে।

সুইগি ও জোম্যাটো-র প্রতিক্রিয়া-

  • উচ্চ ইনসেনটিভ: নিউ ইয়ারের প্রাক্কালে পিক আওয়ারে (সন্ধ্যা ৬টা-রাত ১২টা) প্রতি অর্ডারে অতিরিক্ত অর্থ (যেমন, Zomato-র ক্ষেত্রে ₹১২০-১৫০) দেওয়ার ঘোষণা করে।
  • বোনাস ও সুযোগ: Swiggy-র মতো সংস্থা ১ জানুয়ারি পর্যন্ত কর্মীদের ₹১০,০০০ পর্যন্ত উপার্জনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলে।

* অস্থায়ী ছাড়: কিছু ক্ষেত্রে অর্ডার বাতিল বা ডিনাই করার পেনাল্টি মওকুফ করা হয়।

  • প্রচারমূলক কৌশল: বলিউড তারকাদের ব্যবহার করে কর্মীদের কাজে ফেরাতে প্ররোচিত করার অভিযোগও রয়েছে।

কর্মীদের প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ-

  • ইনসেনটিভ বাড়ানো হলেও, কর্মীরা মনে করেন এটি মূল সমস্যার সমাধান নয়।
  • তারা সরকারকে প্ল্যাটফর্ম কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ, শ্রম আইন প্রয়োগ, ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। 
  • তেলঙ্গানা গিগ অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন (TGPWU) এবং ইন্ডিয়ান ফেডারেশন অফ অ্যাপ-বেসড ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স (IFAT)-এর মতো ইউনিয়নগুলো এই ধর্মঘটের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

সার্বিকভাবে, গিগ কর্মীরা ‘পার্টনার’ নয়, বরং ‘শ্রমিক’ হিসেবে স্বীকৃতি, ন্যায্য আয় এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *