জলপাইগুড়িতেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন খালেদা জিয়া। জলপাইগুড়ি পুরসভা ভবনের কাছেই নয়াবস্তিতে শৈশবের বেশ কয়েকটা বছর কেটেছিল তাঁর। দুধে আলতা গায়ের রং। খালেদার ডাক নাম ছিল পুতুল। প্রবীণদের দাবি, জলপাইগুড়িতেই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন খালেদা। দেশভাগের পর খালেদার পরিবার মুখার্জী পরিবারের সঙ্গে সম্পত্তি বিনিময় করে ওপাড়ে চলে যায়। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া জলপাইগুড়ির নয়াবস্তিতে। খালেদার বাড়িতে এখন থাকে গোপ পরিবার। পাশেই চক্রবর্তী পরিবার। সবটা মিলিয়েই ছিল খালেদাদের বাড়ি। ঠিক উল্টোদিকে বাড়ি জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক ভোলা মণ্ডলের। তাঁর দাবি, মায়ের কোলে পিঠে বড় হয়েছেন খালেদা। অত্যন্ত সুন্দরী ছিলেন তিনি। গত বছর পর্যন্ত খালেদার আত্মীয়রা এসে ভিটে দেখে গিয়েছেন। ইতিহাসবিদ আনন্দ গোপালঘোষের দাবি, ১৯৫০ সালের পর খালেদার পরিবার জলপাইগুড়ি ছেড়ে চলে যায়। তাঁর দাবি, খালেদার বাবা ইসকিন্দার মিঁয়া চায়ের ব্যবসার সূত্রে নোয়াখালি থেকে জলপাইগুড়ি আসেন। বিখ্যাত ফুটবলার ফজলার রহমানের ছেলে পুটু রহমানের দাবি, আমার বাবার সঙ্গে খালেদার পরিবারের খুবই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। খালেদার বাবা চাকরি সূত্রে জলপাইগুড়ি এসেছিলেন। পরে চাকরি ছেড়ে চায়ের ব্যবসায় যুক্ত হন। খালেদা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে তিনি ওপার বাংলায় গিয়েছিলেন।
