রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: মাছ ধরতে গিয়ে পাকিস্তানের জলপুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলবন্দি। পরে মৃত্যুও হয় জেলে। অমিত শাহের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তৎপরতায় অবশেষে পশ্চিমবঙ্গে ফিরল সেই বাঙালি মৎস্যজীবী স্বপন রানার দেহ।

রবিবার সকালে শেষকৃত্যু সম্পন্ন হয় পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির পাইকবার গ্রামের বাসিন্দা স্বপনের। দেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনা থেকে শুরু করে দাহ পর্যন্ত সমস্ত কাজেই সহযোগিতা করেছেন জেলা প্রশাসন এবং কাঁথির মহকুমাশাসক প্রতীক ধুমাল। পরিবারের পাশে ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির সভাপতি তথা কাঁথি ১ পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা আমিন সোহেল।

পরিবার সূত্রে খবর, বছর দুই আগে মাছ ধরতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে জলসীমান্ত অতিক্রম করার অভিযোগে পাকিস্তানের জল পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলেন স্বপন। এরপর দীর্ঘ দুই বছর জেলবন্দি থাকার পর হঠাৎ পরিবারের লোকেরা জানতে পারেন, জেলেই স্বপনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয় পরিবারের কাছে।

স্বপনের মৃত্যুর খবর জানতে পারার পরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দ্বারস্থ হয় পরিবার। এর পরেই তৎপর হয় শাহের মন্ত্রক। পাকিস্তানের তরফেও নয়াদিল্লিতে চিঠি পাঠানো হয় এ বিষয়ে। সেই মতোই গত ৪ ডিসেম্বর আটারি-ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে দেহ হস্তান্তর করা হয়। পাকিস্তানের চিঠিতে জানানো হয়েছিল, শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে মৃত্যু হয়েছে স্বপনের।

যদিও এ কথা মানতে নারাজ পরিবার। তাদের বক্তব্য, যদি শারীরিক অবস্থার অবনতিই হয়ে থাকে, তা হলে কেন ভালো করে স্বপনের চিকিৎসা করা হল না?



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *