খবর অনলাইন ডেস্ক: ফিফার নবপ্রবর্তিত শান্তি পুরস্কার পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ওয়াশিংটনে ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ড্র অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই সম্মাননা তুলে দেন। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা যৌথভাবে আয়োজিত করতে যাচ্ছে এই বিশ্বকাপ।
‘মানুষকে এক করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আশা জাগানোর নেতা’ হিসেবে ট্রাম্পকে পরিচয় করিয়ে দেন ইনফান্তিনো। সম্মাননা শংসাপত্রে বলা হয়েছে, বিশ্ব জুড়ে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকেই এই পুরস্কারের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
সোনালি মেডেল পরে এবং দুই হাতের মুঠোয় পৃথিবীর প্রতীকী সোনার ট্রফি ধরে ট্রাম্প মঞ্চে উঠলে ইনফান্তিনো বলেন, “এটাই আপনার শান্তি পুরস্কার।”
পুরস্কার পেয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, “এটি আমার জীবনের অন্যতম বড় সম্মান।” তিনি তাঁর পরিবার, বিশেষ করে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি দুই সহযোগী আয়োজক দেশের নেতৃবৃন্দ — কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবামকে কৃতজ্ঞতা জানান।

পদক নিজেই তুলে নিচ্ছেন ট্রাম্প। ছবি ‘X’ থেকে নেওয়া।
ট্রাম্প এর আগে প্রকাশ্যে নোবেল শান্তি পুরস্কারের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। ইনফান্তিনোও অতীতে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ভূমিকার জন্য ট্রাম্পকে নোবেলের যোগ্য বলে মন্তব্য করেছিলেন। ফলে ফিফার নতুন এই পুরস্কারের সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে ট্রাম্পকে অনেকেই আগেই ধরেছিলেন।
ফিফা জানায়, তাদের শান্তি পুরস্কারটি বিশ্বের মানুষের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং অসাধারণ শান্তির প্রয়াসকে স্বীকৃতি দেয়। খেলাধুলার গণ্ডি ছাড়িয়ে শান্তির বার্তা ছড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।
এমন সময়ে পুরস্কারটি দেওয়া হল যখন ক্যারিবীয় অঞ্চলে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকায় প্রাণঘাতী হামলার কারণে ট্রাম্প প্রশাসন সমালোচনার মুখে রয়েছে। একই সঙ্গে অভিবাসন নিয়ে ট্রাম্পের তীব্র বক্তব্যও আলোচনায়।
এই বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাডো। তিনি তার পুরস্কারের একটি অংশ ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেন, তার কথায়— তাঁর আন্দোলনে ট্রাম্পের সমর্থনের জন্য।
