খবর অনলাইন ডেস্ক: দিল্লি পুরসভার (MCD) ১২টি ওয়ার্ডে ৩০ নভেম্বর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা রাজধানীর রাজনীতিতে বিজেপি (BJP) ও আম আদমি পার্টির (AAP) জন্য ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। ফলাফলে বিজেপি সাতটি আসনে এবং আপ ৩টি আসনে জয় পেলেও সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে চাঁদনি মহল ওয়ার্ড, যেখানে অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লকের (AIFB) প্রার্থী মোহাম্মদ ইমরান চমকপ্রদ জয় অর্জন করেছেন।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ১৯৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত করেন এই রাজনৈতিক দলটি। সেই দলের প্রার্থী হিসেবে ইমরান আম আদমি পার্টির মুদাস্‌সর উসমানকে ৪,৬৯২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। তিনি মোট ১১,৮১৪ ভোট পেয়েছেন। চাঁদনি মহল ওয়ার্ডে আম আদমি পার্টি দ্বিতীয় স্থানে আর বিজেপি ভারতীয় জনতা পার্টি তৃতীয় স্থানে। পুরসভার উপনির্বাচনে চাঁদনি মহল ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে – ৫৫.৯৩%।

মোহম্মদ ইমরান কে

৪৪ বছর বয়সি মোহাম্মদ ইমরান দিল্লির বাসিন্দা ও অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লক-এর একজন সক্রিয় নেতা। তাঁর হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে দুইটি মামলা রয়েছে। তাঁর মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩,০৪,৭৬৮ টাকা এবং তাঁর স্ত্রীর রয়েছে ৪,৩৫,০০০ টাকা। দুই কন্যার সম্পদের পরিমাণ যথাক্রমে ২,৫৫,০০০ টাকা এবং ১,৭২,৫০০ টাকা। পরিবারের একমাত্র আবাসিক সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য ৩৪,১০,০০০ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

উপনির্বাচনের সার্বিক ছবি

উপনির্বাচনে মোট ১২টি ওয়ার্ডে ভোট গ্রহণ হয়, যার মধ্যে নয়টি আসন আগে ছিল বিজেপির এবং বাকিগুলি আপ-এর দখলে। তবে এবার কংগ্রেস এবং ফরোয়ার্ড ব্লকের জয়ে বিজেপি দুইটি আসন হারায়। ২০২২ সালে দিল্লি পুরসভার নির্বাচনে চাঁদনি মহল আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন আপের আলি মোহাম্মদ ইকবাল।

১২টি আসনের উপনির্বাচনে সামগ্রিক ভাবে ভোটের হার ছিল ৩৮.৫১%, যা ২০২২ সালের ৫০.৪৭%-এর তুলনায় বেশ কম। পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *