সভ্যতা অনেকবার মতাদর্শ সংঘাত, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং অর্থনৈতিক টানাপড়েনের মুখে বিপর্যস্ত হয়েছে। তবু মানুষ বেঁচে থাকার উপায় খুঁজে নিয়েছে নিজের মতো। কিন্তু পৃথিবীতে এমন একটি ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে ভুল সিদ্ধান্ত মানবসভ্যতার অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিতে পারে। এ ক্ষেত্রটি পরিবেশ, প্রকৃতি এবং প্রতিবেশের সুরক্ষা সম্পর্কিত। সমাজনীতি, ধর্মনীতি বা অর্থনৈতিক বিরোধ সমাজে ক্ষতি আনে ঠিকই, কিন্তু পরিবেশনীতি ভুল হলে পুরো জীবজগৎ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে মানুষের অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়ে। তাই বর্তমান পৃথিবীতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়েছে পরিবেশ রক্ষা। এই চিন্তা আমাদের কতটুকু রয়েছে, তা বলা কঠিন। পরিবেশ রক্ষার বৈজ্ঞানিক ধারণা বা গবেষণা যত প্রগাঢ় হোক, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ যদি সেই ধারণাকে উপেক্ষা করে, তবে পরিবেশনীতি শুধু কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে। তখন পরিবেশ রক্ষার সিদ্ধান্ত আর বিজ্ঞানভিত্তিক প্রয়োজনে নির্ধারিত থাকে না। বরং তা নির্ভর করে রাজনৈতিক ক্ষমতা, অর্থনৈতিক চাপ এবং ক্ষমতাধর গোষ্ঠীর প্রভাবের ওপর। ফলে প্রকৃতির স্বার্থ ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পরিবেশ বিশৃঙ্খল উন্নয়ন ও ব্যক্তিগত স্বার্থের সিদ্ধান্তের কাছে হার মানে।
পরিবেশ শুধু প্রকৃতির অংশ নয়, এটি ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক লাভের টানাটানির মাঝেও আটকে থাকে। যখন নীতিনির্ধারণে বৈজ্ঞানিক যুক্তির বদলে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা বা ব্যবসায়িক মুনাফা প্রাধান্য পায়, তখন পরিবেশের স্বার্থ স্বভাবত দুর্বল হয়ে পড়ে। অনেক সময় কোনো প্রকল্প পরিবেশের ক্ষতি করবে জেনেও তা অনুমোদিত হয়, কারণ সেখানে ক্ষমতার টানাপড়েন বা অর্থনৈতিক সুবিধার জুতসই সমীকরণ থাকে। ফলে প্রকৃতির স্বার্থ দুর্বল হয় এবং পরিবেশ অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও স্বার্থান্বেষী সিদ্ধান্তের কাছে বলি হয়। দীর্ঘমেয়াদে যার প্রভাব পড়ে নদী, বন, মাটি, জীববৈচিত্র্য এবং মানুষের স্বাস্থ্যে। পরিরাজ অর্থনীতির ধারণা দেখায় কীভাবে ক্ষমতার রাজনীতি পরিবেশকে তার নিজস্ব গুরুত্ব থেকে সরিয়ে দেয় এবং একটি দেশের টেকসই উন্নয়নকে গভীর ঝুঁকির মুখে ফেলে। পরিবেশ কীভাবে রাজনীতির হাতে বলি হয়, তা বোঝা যায় বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি পরিবেশগত বিপর্যয়ের দিকে তাকালে। এখানে পরিবেশের ক্ষতির পেছনে থাকে রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক দুর্নীতি এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের সূক্ষ্ম জাল। সরকার বদলেছে, আইন বদলেছে, কিন্তু রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব বদলায়নি। ফলস্বরূপ পলিথিন এখনো নদী ভরাট করছে, মাটিকে দূষিত করছে এবং শহরের ড্রেন আটকে দিচ্ছে আমরা নীরবে তা সহ্য করছি। পরিবেশগত উদ্যোগ শুধু ঘোষণা দিয়ে সফল হয় না, এ জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সততা।
ঢাকার ড্যাপ বা বিস্তারিত অঞ্চল পরিকল্পনা একসময় পরিবেশ সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু কাগজে থাকা সেই পরিকল্পনার অনেক অংশ বাস্তবে কার্যকর হয়নি। এখনো স্পষ্ট নয় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো আগের পরিকল্পনাকে বাস্তবসম্মতভাবে এগিয়ে নেবে, নাকি তা বাতিল করে সম্পূর্ণ নতুন কাঠামো তৈরির চেষ্টা করবে। একটি পরিবেশনীতির ধারাবাহিকতা না থাকলে, তা সফল হওয়ার সুযোগ কমে যায়। বিশেষ করে, ঢাকা মহানগরের মতো ঝুঁকিপূর্ণ ও দ্রুত পরিবর্তনশীল এলাকায় গবেষণা নির্ভর পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। পরিবেশ সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো চালু রাখা, প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা বা পুনর্বিন্যাস করা সবই নির্ভর করে বৈজ্ঞানিক তথ্য, সঠিক বিশ্লেষণ এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ওপর। পরিবেশবিধি উপেক্ষা এমন বাস্তবতা তৈরি করেছে যেখানে আইন আছে, কিন্তু প্রয়োগ নেই। বাংলাদেশে পাখি ও বন্যপ্রাণী শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ কঠোর হলেও মাঠপর্যায়ে এর প্রভাব প্রায় দেখা যায় না। গ্রামীণ ও শহরের বাজারে প্রকাশ্যে পাখি বিক্রি হয়, বনাঞ্চলে নির্বিচারে শিকার চলে, যেন কেউ কিছুই দেখছে না। কারণ পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের পেছনে থাকে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর উপস্থিতি। হাজারো খাল মৃতপ্রায় হয়ে আছে, অথচ সেগুলো পুনঃখনন বা উদ্ধার কোনো সরকারেরই কার্যকর অগ্রাধিকারে পরিণত হয়নি। পরিস্থিতি এতটাই বিশৃঙ্খল যে, আমরা দেশের মোট নদীর সংখ্যা নিয়েও নিশ্চিত নই। জলবায়ু পরিবর্তন শুধু ভবিষ্যতের অজানা হুমকি নয়, বরং বৈজ্ঞানিক পরিসংখ্যানের আলোকে আমরা তা স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি। ইউএনএফসিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ধানের উৎপাদন প্রায় ১৭ শতাংশ কমে যেতে পারে এবং গমের উৎপাদনও প্রায় ২৭ শতাংশ হ্রাস পাবে। ইউনেস্কোর পূর্বাভাস অনুসারে, একই সময়ে সুন্দরবনের প্রায় ৭৫ শতাংশ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া জার্মানওয়াচের গ্লোবাল ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স ২০২১ অনুযায়ী, জলবায়ু ঝুঁকির দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের সপ্তম স্থানে রয়েছে। এগুলো শুধু নিছক পরিসংখ্যান নয়; এগুলো হলো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শ্বাস-প্রশ্বাস, খাদ্যনিরাপত্তা এবং পরিবেশের টেকসই তা রক্ষার সরাসরি হিসাব। সরকারি উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেক প্রকল্প পর্যাপ্ত গুরুত্ব পাচ্ছে না। পরিবেশনীতি, জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড বা ডেল্টা পরিকল্পনার মতো বৃহৎ উদ্যোগগুলো চালু থাকলেও সেগুলোর প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা এখনো নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়। ডেল্টা প্ল্যান, পরিবেশনীতি-২০১৮ এবং জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের মতো উদ্যোগগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এগুলোর প্রযুক্তিগত এবং রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা না থাকলে ভবিষ্যতে সফলতা অর্জন করা অস্বাভাবিক। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৮ (ক) অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের কথা বললেও বাস্তব পরিস্থিতি এখনো আশাব্যঞ্জক নয়। টেকসই পরিবেশ রক্ষার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আন্তরিক সমঝোতা গড়ে ওঠা অত্যন্ত জরুরি। পরিবেশ কোনো নির্দিষ্ট দলের সম্পত্তি নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের অস্তিত্বের ভিত্তি। ক্ষমতা পরিবর্তনের সঙ্গে যদি পরিবেশনীতি বদলে যায়, তবে তা টেকসই উন্নয়নের পথে চরম বাধা হিসেবে দাঁড়ায়। একটি গাছ কাটা মানে শুধু একটি কাঠের টুকরো হারানো নয়, বরং পরিবেশের ভারসাম্যকে বিপন্ন করা।
একটি নদী দখল হওয়া মানে শুধু পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়া নয়, বরং কৃষি, মৎস্য, নৌপরিবহন এবং মানুষের জীবনযাত্রাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা। বাংলা সাহিত্যের দার্শনিক লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকৃতিকে একটি জীবন্ত সত্তা হিসেবে দেখেছিলেন। তার দৃষ্টিতে প্রকৃতি মানুষকে স্নেহ দেয়, প্রশান্তি দেয় এবং আধ্যাত্মিক আনন্দ প্রদান করে। তাই প্রকৃতিকে রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু বৈজ্ঞানিক নয়, এটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। সবুজ পৃথিবী গড়ার জন্য কার্যকর পরিবেশবান্ধব রাজনীতির রূপরেখা অপরিহার্য। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে আন্তর্দলীয় একটি পরিবেশ কমিশন, যার সিদ্ধান্ত ক্ষমতা পরিবর্তনের পরও বহাল থাকবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে বাধ্যতামূলকভাবে পরিবেশ-ভিত্তিক রাজনৈতিক ম্যানিফেস্টো প্রদান করতে হবে, যা বৈজ্ঞানিক তথ্য ও পরিকল্পনার ওপর নির্ভরশীল হবে। নদী, খাল এবং বনভূমি উদ্ধারকে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে ঘোষণা করা জরুরি, যেমন খাদ্য নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি পানি নিরাপত্তা এবং নদী সেই নিরাপত্তার প্রাণ। পলিথিন শূন্য বাংলাদেশ গড়ার জন্য একটি ত্রিস্তর পরিকল্পনা প্রয়োজন যেখানে উৎপাদন নিষিদ্ধ থাকবে, কঠোর মনিটরিং করা হবে এবং বিকল্প পণ্যের জন্য ভর্তুকি থাকবে। নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারে বিপ্লব আনতে হবে। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌর ও বায়ুশক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। সেই সঙ্গে বাড়ি বা স্থানীয় পর্যায়ে ছোট আকারের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যা ঘরোয়া গ্রিড বা স্থানীয় মাইক্রোগ্রিড হিসেবে কাজ করবে। স্থানীয় সরকারকে পরিবেশ সংরক্ষণের প্রধান দায়িত্ব দেওয়া উচিত, যেখানে স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ আদালত এবং পরিবেশ পুলিশ ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।
প্রতিটি ব্যক্তির ছোট ছোট উদ্যোগই বড় পরিবর্তনের ভিত্তি গড়ে। গাছ লাগানো এবং সেগুলোর যত্ন নেওয়া শুধু পরিবেশ পরিশুদ্ধ রাখে না, বরং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্লাস্টিক ব্যবহার কমিয়ে বা সম্পূর্ণ বর্জন করে আমরা জলাশয় ও মাটির দূষণ রোধ করতে পারি। বিদ্যুৎ ও জলের ব্যবহার সংযমী করলে দৈনন্দিন জীবনে শক্তি ও পানি সংরক্ষণ সম্ভব হয়। রিডিউস, রিইউজ এবং রিসাইকেল নীতিমালা মেনে চললে বর্জ্য কমে এবং পুনর্ব্যবহার বাড়ে। পাশাপাশি পরিবার, বন্ধু ও প্রতিবেশীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করলে সামাজিকভাবে পরিবেশ রক্ষার সংস্কৃতি তৈরি হয়। দৈনন্দিন যাতায়াতেও ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার করা, সাইকেল চালানো বা হেঁটে চলা পরিবেশের ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করে। এসব ছোট উদ্যোগ একত্রিত হয়ে আমাদের শহর, গ্রাম এবং জাতীয় পরিবেশকে সুস্থ ও টেকসই রাখে। আমরা পৃথিবীকে কখনো নিজের সম্পদ হিসেবে পাইনি। একে মূল্যবান আমানত হিসেবে ধার নিই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করার দায়িত্ব নিয়ে। এই গ্রহই আমাদের জীবনের পরিসর যেখানে বাতাস আমাদের শ্বাসশক্তি, পানি আমাদের অস্তিত্ব ধারক, মাটি খাদ্য উৎপাদনের ভিত্তি, বনভূমি জলবায়ু নিয়ন্ত্রক এবং জীববৈচিত্র্য পুরো বাস্তুতন্ত্রকে সচল রাখে। এগুলোর প্রতিটি উপাদান মিলেই জীবন টিকিয়ে রাখে। যদি একে একে এ সম্পদগুলো নিঃশেষ হতে থাকে, যদি নদী শুকিয়ে যায়, বন উজাড় হয় বা বাতাস বিষাক্ত হয়ে ওঠে, তবে আমরা একদিন প্রকৃতির স্নেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সত্যিকারের এতিম প্রজন্মে পরিণত হবো। এই ভয়াবহ পরিণতি ঠেকাতে এখনই প্রয়োজন রাজনৈতিক অঙ্গীকার, সুস্পষ্ট দূরদর্শিতা এবং পরিবেশনীতি।
একটি নৈতিক ও দায়িত্বশীল পরিবেশবান্ধব রাজনীতি দেশের ভবিষ্যৎকে নতুন পথে পরিচালিত করতে পারে। সেখানে পরিবেশ আর নির্বাচনী স্লোগানের কাগুজে শব্দে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম প্রধান ভিত্তিতে পরিণত হবে। প্রকৃতির সুরক্ষা মানবকল্যাণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকবে এবং উন্নয়নের প্রতিটি ধাপেই পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা লক্ষ্য করা যাবে। সবুজ পৃথিবী, সৎ রাজনীতি এবং টেকসই ভবিষ্যতের এই তিনটি ধারণা একত্রে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথ নির্ধারণ করবে। এমন বাস্তবতায় আমাদের সামষ্টিক উচ্চারণ হওয়া উচিত যে, এখন সত্যিকার অর্থে প্রয়োজন পরিবেশবান্ধব রাজনীতি। এ ছাড়া এই মুহূর্তে বিকল্প ভাবা হবে আত্মঘাতী। বিষয়টি যত দ্রুত উপলব্ধিতে আসবে আমাদের অস্তিত্ব তত দীর্ঘায়িত হবে।
লেখক: সিনিয়র কৃষিবিদ ও কলামিস্ট চেয়ারম্যান, ডিআরপি ফাউন্ডেশন
