এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সের ফাইনালে পাকিস্তান শাহিনসের দেয়া ১২৬ রানের লক্ষ্যের বাধা টপকাতে পারেনি বাংলাদেশ ‘এ’। ইয়াসির খানদের কাছে আকবর আলীরা হেরেছেন সুপার ওভারে। পুরো ইনিংসে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশের শেষ উইকেটে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও রিপন মণ্ডলের ২৯ রানের জুটি ম্যাচ নিয়েছিল সুপার লড়াইয়ে। সেখানে আগে ব্যাট করে ৬ রান তোলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ২ বল হাতে রেখে ৭ রান করে শিরোপা জিতে নেয়।  

দোহার ওয়েস্ট এন্ড পার্ক ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক আকবর আলী। আগে ব্যাট করা পাকিস্তান রিপন-মেহেরবদের বোলিং তোপে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১২৫ রানে অলআউট হয়। বাংলাদেশ জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রানেই থামে, ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

ফাইনালে স্বল্পরানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারে আরাফাত মিনহাসের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন জিশান আলম। চতুর্থ ওভারে এক ছয় দুই চারের পর ২৬ রানে ক্যাচ হন মারকুটে ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান। পরের ওভারে মিনহাসের আরেক শিকারে হন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪০ রান তোলে বাংলাদেশ।

সপ্তম ওভারের শেষ বলে অধিনায়ক আকবর আলীকে সাজঘরে পাঠান সুফিয়ান মুকিম। খুব বেশি অবদান রাখতে পারেননি অধিনায়ক। অষ্টম ওভারের শেষ বলে ইয়াসির আলীকে সাজঘরের পথ দেখান মাজ সাদাকাত। ১১তম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন মুকিম, সাজঘরে পাঠান মাহফিজুর রহমান রাব্বি ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীকে।

অষ্টম উইকেট জুটিতে রাকিবুল হাসান ও মেহেরব হোসেন ৩৭ রানের জুটি গড়ে ব্যবধান কমান। মেহেরব ১৯ করে আউট হন, ২৪ রানে রাকিবুলকেও সাজঘরের পথ দেখান আহমেদ দানিয়েল।

শেষ উইকেটে রিপন মণ্ডল ও সাকলাইন মিলে ২৯ রানের জুটি গড়েন। এ জুটিতে ম্যাচ টাই করে বাংলাদেশ, খেলা যায় সুপার ওভারে।

পাকিস্তান স্পিনার সুফিয়ান মুকিম ১১ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। আরেক স্পিনার আরাফাত মিনহাস এবং দানিয়েল ২ উইকেট করে তুলেছেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন সাদ এবং সাদাকাত।

এর আগে, প্রথম ওভারের প্রথম বলে উইকেট তোলে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে একই, মোহাম্মদ ফাইককে বোল্ড করেন মেহেরব হোসেন। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে গাজী ঘৌরীকে বোল্ড করেন আরেক স্পিনার রাকিবুল হাসান। পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪০ রান তোলে ইরফান খানের দল।

সপ্তম ওভারে জিশান আলমের উপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন মাজ সাদাকাত। ওই ওভারের শেষ বলে তাকে বোল্ড করেন জিশান। ১৮ বলে ২৩ রান করেন মাজ। এরপর কিছুটা রান তোলে পাকিস্তান। ১১তম ওভারে আবারও আঘাত হানেন সাকলাইন, আউট করেন ২৫ রান করা আরাফাত মিনহাসকে। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেছেন সাদ মাসুদ। তিন ব্যাটার ছাড়া দলটির আর কেউ ইনিংস দুঅঙ্কে নিতে পারেননি।

রিপন ২৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। রাকিবুল হাসান নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মেহেরব, জিশান আলম এবং সাকলাইন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *