বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত, নয়াদিল্লি: পাঁচ বছর আগের ভুলের পুনরাবৃত্তি নয়। তাই বঙ্গ বিজেপির নেতাদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হলো সব ক্ষমতা। বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই থেকে প্রচার কৌশল সবের নিয়ন্ত্রন থাকবে দিল্লির হাতে। বাংলার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

রাজ্যের নেতারা শুধুমাত্র মতামত দিতে পারবে। গত তিনদিন ধরে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকে বুঝিয়ে দিলেন দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বি এল সন্তোষ, ভূপেন্দ্র যাদব ও সুনীল বনশলরা।

২১ সালের ভোটের আগে দলে দলে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেয় টলিউডের রুপোলি পর্দার তারকারা। রাজ্য নেতৃত্বের ওপর ভরসা রেখে তাঁদের প্রার্থীও করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় উল্টো চিত্র। একজন বাদ দিয়ে বাকি সকলেই গো-হারা হেরে ফিরে আসে। বরং অজানা অচেনা মুখের প্রার্থীরা সফল হয়। এঁদের অনেকেই সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ।

তাই এবার ভোটের আগে দলে যোগ দিলেই টিকিট মিলবে এমন গ্যারান্টি দেওয়া যাবে না। যেহেতু অচেনা মুখের প্রার্থীরা সফল হয়েছিল তাই এলাকায় মাটির সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন ব্যক্তিকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে শমীককে জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। আবার প্রচারের কৌশল কী হবে সে ক্ষেত্রেও সিদ্ধান্ত নেবে দিল্লির নেতারা।

ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে কথাও বলেছেন তাঁরা। শমীক ভট্টাচার্য-সহ বঙ্গ বিজেপির নেতাদের সঙ্গে সংস্থার প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ করিয়েছেন দিল্লির নেতারা। সূত্রের খবর, রাজ্যস্তরের পাশাপাশি স্থানীয় ইস্যকেও প্রচারে তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *