অংশুপ্রতিম পাল, খড়গপুর: কিশোরীকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ তার প্রতিবেশী জেঠুর বিরুদ্ধে। সেই অপমানে ও লজ্জায় আত্মহত্যা নির্যাতিতার। কীটনাশক পান করে অক্টোবরের ২৪ তারিখ। অবশেষে মঙ্গলবার মৃত্যু হয় কিশোরীর। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের কোশিয়াড়ি থানা এলাকায়। মৃতার পরিবারের দাবি, কেউ হয়তো কিছু বলায় চরম পদক্ষেপ নিয়েছে কিশোরী। অভিযুক্তের কঠিন শাস্তির দাবি তুলেছেন তাঁরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৯ সেপ্টেম্বর নির্যাতিতার কাকা থানায় অভিযোগ জানান, আগস্ট মাসের ২৩, ২৫,২৭ তারিখ তাঁর ১৫ বছরের ভাইঝিকে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী পঙ্কজ সাউ। অভিযুক্তকে নির্যাতিতা জেঠু বলে ডাকত বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তের এলাকায় চানাচুর কারখানা রয়েছে। সেখানেও মাঝে মধ্যে যেত মৃতা। অভিযোগ, আগে থেকে পরিচয় থাকার সূত্রে উক্ত তিনদিন ঘুরতে যাওয়ার নাম করে একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। একথা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

প্রথমে বিষয়টি বাড়িতে না জানালেও ৯ সেপ্টেম্বর বাড়িতে নির্যাতনের কথা জানায় তারপরই থানায় অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে পেশ করা হয় পুলিশ হেফাজতের পর অভিযুক্তের জেল হেফাজত হয়েছে। মামলাটি বিচারাধীন।
এরমধ্যেই ২৪ অক্টোবর বাড়িতে রাখা কীটনাশক খেয়ে নেয় নির্যাতিতা। তাকে কেশিয়াড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রেফার করা হয় খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন নির্যাতিতা। অবশেষে মঙ্গলবার মৃত্যু হয়। মৃতার কাকা বলেন, ” ওকে হয় তো কেউ কিছু বলেছিল। না হলে ঘটনার অতদিন পরে কেন কীটনাশক খেল? ওর কঠোর শাস্তি চাই।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *