সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা দলকে তাৎক্ষণিকভাবে ১ কোটি টাকার বোনাস ঘোষণা করেছিলেন, যা এক সপ্তাহের মধ্যেই সাবিনাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর এশিয়া কাপের টিকিট নিশ্চিত করায় অতিরিক্ত ৫০ লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল—যা তিন মাস পর বুঝে পেল নারী দল।
সকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নারী ফুটবল দলকে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেয়া হয়। সেই সাথে প্রথম অংশগ্রহণেই এশিয়া কাপে ব্রোঞ্জ জেতায় অ-১৮ নারী হকি দলকে ২১ টাকা অর্থ পুরস্কার দেয়া হয়।
পুরস্কার পাওয়ার পর নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফিদা খন্দকার বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা, ক্রীড়া উপদেষ্টা মহোদয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে ধন্যবাদ জানাই। এই পুরস্কার আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে অস্ট্রেলিয়ায় ভালো খেলতে। দেশের হয়ে সাফল্য এনে সরকার আমাদের সম্মানিত করছে, এতে আমরা গর্বিত।”
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সাফ জয়ের পরও ঘোষিত দেড় কোটি টাকার বোনাস এখনো দেয়নি। এ বিষয়ে অধিনায়ক আফিদা বলেন, “আমরা ফেডারেশনকে জানিয়েছি। তারা আশ্বাস দিয়েছে, শিগগিরই দেবে।”
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, “এই সাফল্যে শুধু খেলোয়াড় নয়, কোচিং স্টাফ, ম্যানেজার ও ফেডারেশনের কর্মকর্তাদেরও অবদান রয়েছে। তাই আমরা সবাইকে সমানভাবে পুরস্কৃত করেছি, যেন কেউ বঞ্চিত মনে না করে।”
