খবর অনলাইন ডেস্ক: বাংলা থিয়েটারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, নির্দেশক ও নাট্যকার তৃপ্তি মিত্রের শততম জন্মবার্ষিকী পালন করা হল ‘বালার্ক নিমতা’র উদ্যোগে। ২৫ অক্টোবর শনিবার বেলঘরিয়ার প্যারীমোহন লাইব্রেরি প্রেক্ষাগৃহে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে দুটি পর্ব ছিল। প্রথম পর্বে ছিল তৃপ্তি মিত্রের শততম জন্মবার্ষিকীর কথা মাথায় রেখে এক বিশেষ আলোচনাসভা। আলোচনাসভায় বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত নাট্যগবেষক আশিস গোস্বামী, অধ্যাপক তনয়া আফরোজ, ‘নাট্যচিন্তা’ পত্রিকার সম্পাদক তন্দ্রা চক্রবর্তী এবং ‘গ্রুপ থিয়েটার’ পত্রিকার সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। আলোচনায় উঠে এল আজকের বাংলা থিয়েটারে নারীর অবস্থা এবং অবস্থান সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক নানা তথ্য।

বালার্ক আয়োজিত আলোচনাসভা।
দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠানের শুরুতে ছিল শ্রীরামপুর বহুরূপী দলের মূকাভিনয়-নাট্য ‘সবলা’, দমদম ক্যান্ডিড থিয়েটারের নাটক ‘মেজদিদির কেচ্ছা’ এবং সেন্টার স্টেজ কলকাতার নাটক ‘কলজে কেলেঙ্কারি’।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘বালার্ক নিমতা’র পক্ষ থেকে সমগ্র অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপক এবং সম্পাদক নীলাঞ্জন হালদার জানান, আজকের বাংলা তথা ভারতীয় থিয়েটারে নারীদের যে প্রবল উপস্থিতি, তার পথপ্রদর্শক ছিলেন তৃপ্তি মিত্র। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বাংলার নাট্য আকাদেমির পক্ষ থেকে তাঁর জন্য একটি বিশেষ সংগ্রহশালা তৈরির দাবি তুললেন তিনি।

মূকাভিনয়ে অংশগ্রহণকারী শিল্পীরা।
নীলাঞ্জনবাবু নিজেও থিয়েটার নিয়ে গবেষণা করেন। তিনি দলের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে আলোচিত তথ্য নিয়ে আগামী দিনে একটি বিশেষ স্মারক পুস্তিকা প্রকাশের কথা জানান। ওই পত্রিকায় তৃপ্তি মিত্রকে নাট্যমোদীরা দেখতে পাবেন একাধিক নাট্যজনের দৃষ্টিতে।
আরও পড়ুন
‘বালার্ক’র উপভোগ্য উপস্থাপনা ‘বল্লভপুরের উপকথা’
শান্তিনিকেতনের কাছে ফুলডাঙার ‘সারদা পাঠশালা’র উদ্যোগে শামিল বালার্ক থিয়েটার
