মাঝআকাশে ভয়ংকর বিপর্যয় কোনওমতে এড়াল ইন্ডিগো বিমান। ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ওড়ার সময় আচমকাই বিমানটিতে বাজ পড়ে। ক্ষতিগ্রস্তও হয় শতাধিক যাত্রীবাহী বিমানটি। তবে শেষ পর্যন্ত নিরাপদে বিমানের অবতরণ করানো হয়। যাত্রীরা নিরাপদেই রয়েছেন। দিনকয়েক আগে ফ্লাইদুবাই বিমানে পাইলটের ভয়ংকর কাণ্ডের স্মৃতি এখনও টাটকা আমজনতার মনে। তার মধ্যে প্রাকৃতিক বিপর্যয়েও যাত্রীদের আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
ইন্ডিগোর 6E925 বিমানটি এদিন পড়েছিল দুর্ঘটনার কবলে। দুপুর ৩টে বেজে ১০ মিনিটে পাটনা বিমানবন্দর থেকে বিমানটি টেক অফ করে। গন্তব্য লখনউ। কিন্তু ঘন্টাখানেকের যাত্রার মাঝেই বিপত্তি। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে বিমানের উপরেই বাজ পড়ে। তবে সৌভাগ্যক্রমে বিমানের খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকাকালীন ঘটনাটি ঘটে। তবে বিমানটি ততক্ষণে লখনউ পৌঁছে গিয়েছে। নিরাপদে লখনউ বিমানবন্দরেই অবতরণ করে ইন্ডিগো উড়ান।
আরও পড়ুন:
মাটি ছোঁয়ার পর দেখা যায়, বিমানের নাকের একটা অংশ ভেঙে গিয়েছে। তবে ১০৪ জন যাত্রী এবং ৬ বিমানকর্মী সকলেই সুরক্ষিত ছিলেন। ওই বিমানটিই কিছুক্ষণ পরে আহমেদাবাদে যাওয়ার কথা ছিল। তবে সে উড়ানের যাত্রীদের অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁরা নিরাপদে রওনা দিয়েছেন আহমেদাবাদের উদ্দেশে। আপাতত বিমানের ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
দিনদশেক আগেও ইন্ডিগোর বিমান কোনওমত বিপর্যয় এড়িয়েছিল। বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় গুয়াহাটি থেকে বেঙ্গালুরুগামী ইন্ডিগোর বিমানটির লেজে তীব্র আঘাত লাগে। আকাশ থেকে নামার সময় শেষ মুহূর্তে রানওয়ের সঙ্গে “অস্বাভাবিকভাবে সংস্পর্শে আসে”। এর জেরে বিমানের লেজে আঘাত লাগে। যদিও এই সংঘর্ষে বড়সড় সমস্যা হয়নি ইন্ডিগোর তরফে দাবি করা হয়েছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে মাটিতে নামার সময় কোনও গোলমাল হয়েছিল। সকল যাত্রী ও বিমানকর্মীরা নিরাপদেই বেরিয়েছিলেন বিমান থেকে। তবে চলতি বছরের জুন মাসেও ইন্ডিগোর বিমানে একইভাবে বাজ পড়েছিল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
