![]()
Mamata Banerjee: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটা আসলে কালো দিবস। রাজ্য রাজনীতিতে যা ঘটছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, অসাংবিধানিক, গণতন্ত্র-বিরোধী এবং রাজনৈতিক ভাবে অবশ্যই পক্ষপাতদুষ্ট।
Mamata Banerjee: ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ইস্যুতে এবার মাঠে নামলেন তৃণমূল নেত্রী। কার্যত, আবারও কি আগের ফর্মে ‘দিদি’? বলছেন অনেকেই (Mamata Banerjee)। প্রসঙ্গত, রাজ্যে আসন্ন দুটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে তৃণমূলের দুই শিবিরের তরফেই। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের হয়ে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছেন সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন রবিউল আলম চৌধুরী। অন্যদিকে, ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের হয়ে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছেন এহেতাশ মুল হক এবং রেজিনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন শেখ সফিউদ্দিন জামান। কিন্তু প্রশ্ন ছিল যে, কোন প্রতীকে লড়বেন তারা (TMC West Bengal bypoll)?
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মমতা!
কিন্তু তৃণমূলের সেই প্রতীক নিয়ে দ্বন্দ্বে আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজে হাতে আঁকা সেই জোড়াফুল সিম্বলটি আপাতত কারও হাতেই রইল না। বৃহস্পতিবার রাতে, নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিল, তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক আপাতত কোনও শিবিরই ব্যবহার করতে পারবে না। এরপরেই মাঠে নামলেন তৃণমূল নেত্রী। সোজা সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আঙুল তুললেন নির্বাচন কমিশনের দিকেই। আর সেই মামলায় যুক্ত করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। শীর্ষ আদালত সূত্রে জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চেই এই মামলার শুনানি হতে পারে।
উল্লেখ্য, উপনির্বাচনের আবহে শুক্রবারই তৃণমূলের দুই শিবিরের নাম এবং প্রতীক চূড়ান্ত করে দিয়েছে কমিশন। মমতার কালীঘাটপন্থী শিবিরের নাম হল, ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং তাদের প্রতীক ফুটবলার। অপরিদকে, ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল শিবিরের নাম দেওয়া হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’। তারা লড়বে খাম চিহ্নে। যদিও কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন শুক্রবার। সেই একই দিনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন, আসন্ন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তারা কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন জানাবেন (Nandigram By Election)।
মামলা দায়ের, ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ইস্যুতে মাঠে নামলেন তৃণমূল নেত্রী
কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটা আসলে কালো দিবস। রাজ্য রাজনীতিতে যা ঘটছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, অসাংবিধানিক, গণতন্ত্র-বিরোধী এবং রাজনৈতিক ভাবে অবশ্যই পক্ষপাতদুষ্ট। তৃণমূল নেত্রী জানিয়েছেন, “আমাদের আগে উদ্ধব ঠাকরের দলের প্রতীক কেড়ে নিয়েছে। এনসিপি-কে ভেঙে দিয়েছে। এবার আমাদের!’’ বিজেপির হয়ে কাজ করেন। ঝুটা এসআইআর, ঝুটা ভোট করেছে। পুরো হাইজ্যাক করেছে। মাস্টারমাইন্ড কে? আমাদের ভদ্রতা, নাম নিচ্ছি না। হাইজ্যাক করেছে ইভিএম মেশিন। তার পর মধ্যরাতে গণতন্ত্র হত্যা করেছে কমিশন।’’
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
