কী লেখা হল স্বস্তিকায়?Image Credit: Tv9 Bangla
কলকাতা: তৃণমূল,বাম,কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে আসা দুষ্কৃতী ও তোলাবাজদের নিয়ে সতর্কবার্তা দিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ পত্রিকা ‘স্বস্তিকায়’। সংশ্লিষ্ট পত্রিকায় লেখা হয়েছে, বিজেপির উপর ভরসা করে রাজ্যে ক্ষমতায় এনেছে মানুষ। তাই মানুষের ভাবনার গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে ‘স্বস্তিকাতে’। পত্রিকায় লেখা হয়েছে, ‘যদি ২ শতাংশ মানুষ অথবা ভোটার মনে করে বিজেপি আদতে পনেরো বছর ধরে চলে আসা একটি ‘তস্কর/চোর’ সরকারের আর একটি রূপ। তবে তার ফলে ৯০ শতাংশ ভোটার বিজেপি থেকে সরে যেতে দ্বিধা বোধ করবে না।’ রাজ্য বিজেপির উদ্দেশে সাবধান বাণী ‘স্বস্তিকার’।
রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগেই সাবধানবাণী শুনিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বলেছিলেন, “সব জায়গায় তোলাবাজি বন্ধ করা যায়নি। যদি বলি ভুল বলব। কেউ চার ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আমাদের দলের কারও মধ্যে সুপ্ত কিছু বাসনা ছিল যেগুলো অতৃপ্ত অবস্থায় ছিল এতদিনে ফুটে বেরিয়েছে…”। তোলাবাজ, ধান্দাবাজ তৃণমূলীদের দলে নেওয়া হবে না বার্তা দেওয়া হলেও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে কোথাও-কোথাও গ্রেফতারি এড়াতে বা জনরোষ থেকে বাঁচতে এলাকার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ‘গা ঘেষাঘেষি’ করছেন একাংশ তৃণমূল নেতারা। নিচুতলার কর্মীদের কাছে যা মোটেই গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না বলে মত একাংশ বিজেপি নেতাদের। অপরদিকে, কাকলী-সুদীপ সহ ২০ তৃণমূল সাংসদ বিজেপির জোট শরিক হয়ছেন ঘোষিত ভাবে। এতদিন যে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, কাকলী ঘোষ দস্তিদারদের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে নিয়ে বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছিল, তাঁরাই এখন মোদী বন্দনা করছেন। আর সবটাই দেখছেন সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “যে জিতবে, তাঁকেই প্রার্থী করবে বিজেপি। দলের সঙ্গে কে কতদিন যুক্ত তা বিচার্য নয়।” তাঁর মন্তব্য নিয়েও কাটাছেড়া শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় RSS-এর সাবধানবাণী তাৎপর্যপূর্ণ।
বিজেপিকে সাবধানবাণী
‘স্বস্তিকায়’ যাদবপুর নিয়েও লেখা হয়েছে। তবে, ঘুরে ফিরে একটাই প্রসঙ্গ তোলা হয়েছে যে বাংলার ৯৫ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভরসা করে ভোট দিয়েছে। কিন্তু তারপরও বিজেপির তৃণমূলীকরণ কোথাও-কোথাও যেভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেই সংখ্যাটা খুব বেশি না হলেও রাশ টানতে হবে বিজেপিকেই। তবে এই নিয়ে এখনও অবধি বিজেপির কোনও নেতার প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
