লিভ ইন পার্টনারের দেহ হাসপাতালে রেখে পালালেন যুবক। শেষে যুবতীর বাড়ির লোককে ব‌্যাপারটি জানাল হাসপাতাল। যুবতীকে খুনের অভিযোগে ওই লিভ ইন পার্টনার ও তাঁর গাড়ির চালক গ্রেপ্তার হল পুলিশের হাতে।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ওই যুবকের নাম রাজা ওয়াসিম হোসেন। তাঁর গাড়ির চালক মহম্মদ সাহিদও অভিযুক্ত। মৃত ওই যুবতীর নাম চম্পা সেনাপতি। তিনি শহরের একটি পানশালার গায়িকা ছিলেন। সেখানেই ব‌্যান্ড মাস্টার ছিলেন রাজা ওয়াসিম হোসেন। সেই সূত্রই চম্পা ও রাজার ঘনিষ্ঠতা হয়। ক্রমে তিলজলায় একটি ফ্ল‌্যাটে দু’জন লিভ ইন করতে শুরু করেন। 

আরও পড়ুন:

এক সময় দু’জন মিলে তিলজলার পিকনিক গার্ডেন এলাকার একটি পানশালার অংশীদারও হন। রাজা বিবাহিত। চম্পার সঙ্গে থাকার বিষয়টি নিয়ে রাজার পারিবারিক অশান্তিও হয়। সেই কারণে কিছুদিন রাজা চম্পার কাছে আসছিলেন না। বরং চম্পাকে এড়িয়ে চলছিলেন। তাঁকে ফোনেও পাচ্ছিলেন না চম্পা। শনিবার হঠাৎই তিনি নিজের গাড়ি করে তিলজলার ফ্ল‌্যাটে যান। দেখেন, ফ্ল‌্যাটের দরজা ভেজানো। চম্পার সাড়া না পেয়ে ভিতরে ঢুকে দেখেন, ঘরের ভিতর অচেতন হয়ে পড়ে আছেন চম্পা। রাজা ও তাঁর গাড়ির চালক সাহিদ চম্পাকে গাড়িতে তোলেন। রাস্তায় বুঝতে পারেন, চম্পার মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:

ওই অবস্থায় চম্পার দেহটি ন‌্যাশনাল মেডিক‌্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এমারজেন্সিতে রেখে দিয়ে রাজা ও সাহিদ পালিয়ে যান। যুবতীকে মৃত অবস্থায় দেখে হাসপাতালে হইচই পড়ে যায়। যুবতীর কাছে থাকা পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে তাঁর বাড়িতে খবর যায়। পরিবারের লোকেরা জানতে পারেন, রাজা ও সাহিদ চম্পার দেহটি ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। এর পরই পরিবারের পক্ষ থেকে তিলজলা থানায় অভিযোগ জানিয়ে বলা হয়, রাজা ও সাহিদ তাঁদের মেয়েকে খুন করে দেহটি প্রমাণ লোপাটের জন‌্য ফেলে পালিয়েছে। তারই ভিত্তিতে তদন্তের পর খুন ও প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তিলজলা থানার পুলিশ রাজা ও সাহিদকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের জেরা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *