তেলকূপির পাথর নির্মিত দেউল মন্দির। পাঞ্চেত বাঁধের জলে এই মন্দির ডুবে থাকে বছরের অনেকটা সময়

ছবির উৎস, Pratyush Roy

ছবির ক্যাপশান, তেলকূপির পাথর নির্মিত দেউল মন্দির। পাঞ্চেত বাঁধের জলে এই মন্দির ডুবে থাকে বছরের অনেকটা সময়

কলকাতা থেকে যে জাতীয় মহাসড়ক দিল্লির দিকে চলে গেছে, সেই দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরে বর্ধমানের দিকে যেতে মেমারির কাছাকাছি রাস্তার ডানদিকে তাকালে একটি উঁচু মন্দিরের চূড়া দেখা যায়।

দূর থেকে এই মন্দিরের চুড়ার বিশেষত্ব বোঝার উপায় খুব একটা নেই।

স্বাভাবিকভাবেই খুব বেশি ভাবিওনি। তবে সামাজিক মাধ্যমে ভারতের পুরাতত্ব বিভাগের পোস্ট দেখে এই মন্দিরের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। এই প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহের শুরুও তখন থেকেই।

জানতে পারি, ওই যে মন্দিরটি চোখে পড়ত, সেটি আসলে প্রাচীন এক জৈন মন্দির। একেশ্বরবাদী আব্রাহামিক ধর্মের ভারতে আগমন ঘটার আগে যে ধর্মগুলি ব্যাপকতা লাভ করেছিল, সেগুলির মধ্যে অন্যতম হলো জৈন ধর্ম। আর অন্য দুটি হলো হিন্দুধর্ম ও বৌদ্ধধর্ম। এছাড়া অবশ্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলির নিজ নিজ ধর্মগুলিও ছিল, যেগুলি মূলত: প্রকৃতি পূজা।

বাংলায় হিন্দু ও বৌদ্ধ বাঙালি বহু রয়েছেন যাদের পিতৃপুরুষরা বহু প্রজন্ম ধরে সেই ধর্মই পালন করে আসছেন। কিন্তু বাংলাভাষী জৈন ধর্মাবলম্বী মানুষ যদি বলা হয়, তবে অনেকেই একটু আশ্চর্য হন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *