কুয়াশাচ্ছন্ন পাহাড়ি ট্রেল। ইউক্যালিপটাসের গন্ধ। আর হাতে গরম চকোলেটের কাপ। দক্ষিণ ভারতের কোলে যেন একখণ্ড সুইজারল্যান্ড! প্রকৃতির সবুজ রূপের পাশাপাশি এই শৈলশহর এক মিষ্টি টানে পর্যটকদের কাছে বেশি আকর্ষণীয়। তামিলনাড়ুর নীলগিরি পাহাড়ের কোলে লুকিয়ে থাকা উটি কেবল তার মনোরম আবহাওয়া বা ইতিহাসের জন্য নয়, বরং হয়ে উঠেছে ভারতের নিজস্ব ‘চকোলেট শহর’।

ছবি: সংগৃহীত

আরও পড়ুন:

মিষ্টি স্মৃতির নাম উটি
উটি ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ এখানকার হাতে তৈরি চকোলেট। নীলগিরির কনকনে ঠান্ডা আবহাওয়া চকোলেট তৈরির জন্য একেবারে আদর্শ। এখানে অতিরিক্ত ফ্রিজিংয়ের প্রয়োজন হয় না। পাশাপাশি নীলগিরির দুগ্ধশিল্প তাজা দুধ ও ক্রিমের জন্য আদর্শ। ফলে এখানকার ফ্রুট-এন-নাট, ডার্ক চকোলেট কিংবা রাম-ফ্লেভারের চকোলেটের স্বাদ আলাদা করে মন কাড়ে। চ্যারিং ক্রস, কমার্শিয়াল রোড আর এখানকার স্থানীয় বাজার জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ছোট ছোট চকোলেটের অজস্র দোকান। কাচের কাউন্টারের ওপারে কীভাবে চকোলেট তৈরি হচ্ছে, তা সরাসরি দেখার অভিজ্ঞতাও জুটবে ভ্রমণকারীদের।

ছবি: সংগৃহীত

প্রকৃতি, পাশাপাশি চকোলেট
উটির আবেদন শুধু চকোলেটে সীমাবদ্ধ নয়। এখানকার মন্থর জীবনযাত্রা এবং শান্ত পরিবেশ মন ভালো করে দেয়। ইউক্যালিপটাসে ঢাকা বন, যত্ন করে সাজানো বোটানিক্যাল গার্ডেন আর লেকের ধারে হাঁটার অনুভূতি ভোলার নয়। আর রয়েছে হেরিটেজ টয় ট্রেন—নীলগিরি মাউন্টেন রেলওয়ে।

ছবি: সংগৃহীত

কখন, কীভাবে যাবেন?
উটি ঘুরতে যাওয়ার সেরা সময় অক্টোবর থেকে জুন। সমতলের গরম থেকে বাঁচতে গ্রীষ্মে ভিড় বাড়ে। গাড়িতে কোয়েম্বাটুর, মহীশূর বা বেঙ্গালুরু থেকে সহজে পৌঁছানো যায়। বিমানে আসতে চাইলে নিকটবর্তী বিমানবন্দর কোয়েম্বাটুর (প্রায় ৮৫ কিমি)। সেখান থেকে ট্যাক্সি বা বাস মেলে। ট্রেনে আসতে চাইলে মেট্টুপালায়ম থেকে হেরিটেজ টয় ট্রেনে চেপে উটি পৌঁছানোর আনন্দই আলাদা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *