ক্রমশ চাপ বাড়ছে ফিফার উপর। এর আগে ইউরোপের ফুটবল নিয়ামক সংস্থা উয়েফা তোপ দেগেছিল ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে লক্ষ্য করে। এবার আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিও বিশ্বকাপের বিভিন্ন অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাব খতিয়ে দেখতে চলেছে। এই বিশ্বকাপে রেফারিং নিয়ে নানা বিতর্ক হয়েছে। এর মধ্যে আমেরিকার ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড প্রত্যাহারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ডো ট্রাম্পের প্রভাবের কথাও আছে। সেসব নিয়েই অসন্তুষ্ট আইওসি।

অলিম্পিক কমিটি সবসময় চেষ্টা করে খেলায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে। এবার সরাসরি অভিযোগ দায়ের করেছে একটি পরামর্শদাতা সংস্থা। তাদের বক্তব্য, আইওসি’র উচিত ইনফান্তিনোর ভূমিকা খতিয়ে দেখা। ফিফা প্রেসিডেন্ট ২০২০ সাল থেকে আইওসি’র সদস্য। সেই নিয়ম মানতে তিনি বাধ্য। ট্রাম্পের সমর্থনে তিনি অন্তত পাঁচটা ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। শুধু বালোগানের লাল কার্ড প্রত্যাহার নয়। ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার প্রচারের জন্য ফিফার ব্যবহার করা হয়েছে বলেও বক্তব্য।

আরও পড়ুন:

এছাড়া ট্রাম্পকে ফিফা শান্তি পুরস্কার দেওয়া বা নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করাও আইওসি ভালোভাবে নিচ্ছে না। এর আগেও ওই সংস্থা ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিল। নরওয়ে ফুটবল সংস্থা তাদের পাশে ছিল। ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্ত করার দাবি তুলেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ৩৫ জন সদস্য।

তবে মূল ঘটনা ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড নিয়ে। বসনিয়ার বিরুদ্ধে ডিফেন্ডারকে আঘাত করে লাল কার্ড দেখেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্ট্রাইকার বালোগান। তাঁকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে দেন রেফারি। এরপর বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচে বালোগানকে মাঠে নামাতে ‘উদ্যোগী’ হন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সরাসরি তাঁর অফিস থেকে ফোন যায় ফিফা প্রেসিডেন্টের কাছে। এবং সবাইকে স্তম্ভিত করে দিয়ে বালোগানের লালকার্ড বাতিল করে দেয় ফিফা। শুধু তাই নয়, এটাও বলা হয় যে, বিশ্বকাপেই সে লাল কার্ড প্রযোজ্য হবে না। এ যেন এক নতুন নিয়ম! এর আগে উয়েফাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এবার পদক্ষেপ করতে পারে আইওসি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *